গান্ধীজী, এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক চরিত্র – পার্থ চক্রবর্তী

১৮৯৩ সাল দক্ষিন আফ্রিকার ডারবান থেকে পিটার ম্যারিজবার্গের ওপর দিয়ে ছুটে চলেছে একটি ট্রেন। প্রথমশ্রেণির গদিআঁটা কামরায় আরাম করে বসেছেন ক্ষুদ্রকায় এক ভারতীয় যাত্রী। বাইরে মনোরম দৃশ্য দেখতে দেখতে এই যাত্রা বড়ই আরামদায়ক। মাঝে মাঝে স্টেশন আসছে, অল্পকিছু যাত্রী ওঠানামা করছে।হঠাৎ তাল কাটলো। ট্রেনে উঠলো জনা ৫ শ্বেতাঙ্গ যাত্রী। এদিক ওদিক তাকিয়ে এগিয়ে এলো ভারতীয়ের দিকে। কড়া গলায় বলল উঠে পড়, সেকেন্ড ক্লাসে গিয়ে বোসো। যাত্রীটি ক্ষীণ গলায় প্রশ্ন করলো কেন? আমার তো বৈধ টিকিট আছে! হা হা করে হেসে উঠলো শ্বেতাঙ্গরা। ব্ল্যাকি, নিগার, গেট লস্ট। পরের স্টেশন আসতেই ধাক্কা মেরে নামিয়ে দিলো তাকে। নীরবে অপমানে লজ্জায় সেকেন্ড ক্লাসে গিয়ে বসলেন যাত্রীটি। মাথায় জ্বলতে লাগলো অপমানের আগুন। এইভাবে অপমান ভারতীয় বলে। সাদা চামড়ার ক্ষমতার এতো দম্ভ। অপমানিত সেই মানুষটি মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।

ডারবানের আদালত কক্ষ। লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করা সেই ভারতীয়, আইনজ্ঞ হিসাবে রয়েছেন সেই আদালত কক্ষে। আজ নিজেকে প্রমান করার দিন। এর ওপর নির্ভর করছে তাঁর পেশার ভবিষ্যৎ। সওয়াল করার জন্য উঠে দাঁড়াতেই থামিয়ে দিলেন শ্বেতাঙ্গ জাজ। আপনার ওই মাথার পাগড়িটি খুলতে হবে। স্তম্ভিত হয়ে গান্ধিজি বললেন, কেন? জাজ বললেন, কৃষ্ণাঙ্গ কারোর শ্বেতাঙ্গ জাজের সামনে মাথা ঢাকার নিয়ম নেই। শ্বেতাঙ্গ হলে রাখা যেতো। এই বর্ণবিদ্বেষী নিয়মে অপমানিত গান্ধিজি বললেন, পাগড়ি খুলতে পারবোনা। এটা আমার ব্যক্তিগত অধিকার। আমায় কক্ষ ত্যাগ করার অনুমতি দিন। হনহন করে বেরিয়ে এলেন তিনি। কেরিয়ারের জন্য আত্মমর্যাদাকে বিসর্জন দিতে পারবেন না। কিন্তু প্রতিবাদ করতেই হবে, ভাঙতে হবে এই কুপ্রথা। শক্তিশালী শাসকের বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করবেন। ভাবতে লাগলেন তিনি।

ডারবানেই একদিন বাসে চড়েছেন তিনি। বাসে বেশ ভিড়। একজন শ্বেতাঙ্গ উঠলো বাসে। তার বসার জায়গা নেই। ড্রাইভার এসে তাকে বলল, তুমি পাদানি তে গিয়ে দাঁড়াও, এখানে ইনি বসবেন। আপত্তি জানালেন গান্ধিজি। আমি টিকেট কেটে বসেছি। আমি উঠবোনা। ঠাস করে এক থাপ্পড় মারলেন ড্রাইভার। নামিয়ে দিলেন বাস থেকে। গান্ধিজি শপথ নিলেন তিনি মানবেন না এই অবিচার। প্রতিবাদ করবেন। শক্তিশালি শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা নেই, আর তাতে হিংসা আরও বাড়বে। তিনি শুরু করবেন অহিংস আন্দোলন। শত অত্যাচারের মুখেও অবিচল থাকবেন লক্ষ্যে। এর নাম দিলেন তিনি সত্যাগ্রহ।

সুযোগ এলো কিছুদিনের মধ্যেই। সেখানকার ভারতীয়দের ভোটাধিকার দেবার দাবীতে তিনি সত্যাগ্রহ শুরু করলেন। দাবী পূরণ না হলেও এর মাধ্যমে ভারতীয়দের ঐক্যবদ্ধ করলেন তিনি। বিশ্ব দেখল অত্যাচারীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এক নতুন কৌশল। অস্ত্র নয়, হিংসা নয়, পেশী শক্তি নয়, লড়াইয়ের মুল শক্তি ধৈর্য আর সহনশীলতা। এরপর ১৯০৬ সালে দক্ষিন আফ্রিকার ভারতীয়দের নিবন্ধকরনের এক অমানবিক আইন পাশ হয়। এর বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়ান গান্ধীজী। পাশে পেলেন নিপীড়িত অত্যাচারিত ভারতীয়দের। শুরু করলেন সত্যাগ্রহ। অনেক লাঠি গুলি গ্রেপ্তারি অত্যাচারের মাধ্যমেও টলানো যায়নি তাঁর আন্দোলনকে। শেষ পর্যন্ত সরকার মেনে নিলো ভারতীয়দের দাবী। জয় পেলো সত্যাগ্রহের আদর্শ। সারা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লো গান্ধীজীর নাম। তিনি হয়ে উঠলেন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব।

পর্ব-২
১৯১৭ সালে ভারতের রাজনীতিতে যোগ দিলেন তিনি। বিহারের চম্পারন। কৃষকদের ওপর নীলকরদের অত্যাচার লাগামছাড়া। বাধ্যতামূলক নীল চাষ করতে গিয়ে তারা সর্বস্বান্ত। কিন্তু প্রতিবাদ করার মতো জোর বা সাহস বা নেতা কিছুই নেই তাদের। তিল তিল করে তারা শেষ হয়ে যেতে লাগলেন। এইসময় তারা পাশে পেলেন গান্ধিজিকে। অবাক হয়ে কৃষকরা দেখল তাদের মতোই খাটো ধুতি পড়া খালি গায়ের এক নেতা এলেন তাদের মাঝে। দূর থেকে মঞ্চে উঠে নয়, তাদের মতোই মাঠে ঘাটে নেমে শুরু করলেন লড়াই। কোন অস্ত্র নেই, মনের জোরই তাঁর আসল জোর। পুলিশ এলে পিছন থেকে নয়, তিনিই আসেন সবার আগে। কৃষকদের আড়াল করে রুখে দাঁড়ান সাহেবদের সামনে। তার এই অস্ত্রহীন লড়াইয়ে অসহায় হয়ে পড়ে বন্দুকধারী পুলিশ। জয় হয় তাঁর। সরকার চম্পারন কৃষি বিল পাশ করে বাধ্যতামূলক নীল চাষ বন্ধ করে দেয়। কৃষকদের কাছে গান্ধীজী হয়ে ওঠেন ইশ্বরের দূত ‘গান্ধী বাবা’।

এরপর গুজরাটের খেড়ার কৃষকদের কর মকুবের আন্দোলনে জয়, আমেদাবাদে মিল মজুরদের মজুরিবৃদ্ধির দাবীতে সাফল্য, তাঁর জনপ্রিয়তা হু হু করে বাড়িয়ে দেয়। নিপীড়িত শ্রমিক কৃষকরা জেগে উঠতে থাকে গান্ধিবাবার নামে। পিতাসম মর্যাদায় তার নাম দেয় বাপুজি। এরপর ইতিহাস। অসহযোগ,আইনঅমান্য, ভারতছাড়ো আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি কাঁপিয়ে দেন ব্রিটিশের ভিত।

শুধু এই আন্দোলন নয়। এর পাশাপাশি তিনি আরেকটি লড়াইও শুরু করেন।তা হোল সমাজ পরিবর্তনের লড়াই।
বিহার উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা মদ্যপানের নেশায় চুর হয়ে থাকতো। তিনি বোঝেন তাদের দারিদ্র,অসুস্থতা সবের মুলে এই নেশা। এবার তিনি গ্রামে গ্রামে যান। অনশনে বসেন গ্রামের মাঝে। যতদিন না সবাই নেশা ছাড়ছে তিনি কিচ্ছু খাবেন না। তার এই চাপের কাছে নত হয় গ্রামবাসীরা। মদ্যপান ত্যাগ করতে বাধ্য হয় প্রচুর মানুষ।
এরপর জাতপাতের বিরুদ্ধে লড়াই।বিভিন্ন গ্রামের জমিদার বা উচ্চ বর্ণের মানুষেরা তাঁকে নিমন্ত্রন করে। তিনি শর্ত দেন তিনি যাবেন, গ্রামের কিছু দলিত মানুষদের সাথে নিয়ে গিয়ে একসাথে ভোজন করবেন। উচ্চবর্ণের মানুষেরা বিড়ম্বনায় পরেন। শেষে গান্ধীজীকে ভোজন করানোর গৌরবের আশায় মেনে নেন তাঁর দাবী। গান্ধীজী বসে খাচ্ছেন জমিদার বাড়ির অন্দরে, সাথে গ্রামের শত শত বছরের অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের দল। মানুষের কাছে তা অবিশ্বাস্য। এই অসম্ভবকে সম্ভব করার কাজটা এতো সহজ ছিলোনা। পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রতি ভালোবাসা, আর লক্ষ্যের প্রতি অবিচলতা ভেঙে দিলো সব প্রাচীর।
মদ্যপান বন্ধ হোল। মদ্য ব্যবসায়ীরা কর্মহীন। অনেক মানুষ যুক্ত এই জীবিকার সাথে। তাদের কী হবে? গান্ধীজী তাদের হাতে তুলে দিলেন চরকা। গ্রামের মহিলাদেরও আনলেন গ্রামীন হস্ত শিল্প বা খাদির আওতায়। এক ঢিলে অনেক পাখি মারলেন বাপুজি। মদ্যশিল্পের ধ্বংসসাধন, গ্রামীন অর্থনীতির বিকাশ,মহিলাদের স্বনির্ভরতা, আর সর্বোপরি বনিক ইংরেজদের বানিজ্যে কুঠারাঘাত। এই বিচক্ষনতাই তাঁকে সাফল্য এনে দিয়েছে বারবার।

এই হলেন গান্ধীজী। ভারত ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত অথচ প্রভাবশালী চরিত্র। সর্বগ্রাসী ক্ষমতার লোভ,বিভিন্ন সময় ব্রিটিশের সাথে আপোস বা সহায়তা,বিতর্কিত ব্যক্তিগত জীবন, সুভাষচন্দ্র বা ভগৎ সিংদের প্রতি তাঁর মনোভাব তাঁকে যেমন বিতর্কিত করেছে, তেমনি অনেকের কাছেই তিনি হয়েছেন অশ্রদ্ধার পাত্র।

কিন্তু তাও, তাঁর প্রভাবে ভারত ইতিহাস পেয়েছে নতুন গতি। শিক্ষিত অভিজাত শহুরে মানুষের গণ্ডি ছাড়িয়ে তিনি রাজনীতিকে পৌঁছে দিয়েছেন কৃষকের আঙিনায়,শ্রমিকের বস্তিতে।অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের ম্লান মুখে দিয়েছেন ভাষা,দিয়েছেন অধিকার বুঝে নেওয়ার প্রখর দাবী। হাঁটুর ওপর কাপড় পরে যেভাবে তিনি কৃষকের জমির আলে,শ্রমিকের কারখানার ধুলোয় বসেছেন সেই পোশাকেই গিয়ে বসেছেন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর গোলটেবিলে। ভেঙ্গে দিয়েছেন ব্রিটিশের ছদ্ম এটিকেট,আভিজাত্যের গরিমা। চার্চিল তাঁকে নগ্ন ফকির বলেছেন,কিন্তু উপেক্ষা করার সাহস দেখাননি। তাঁর চাপে ম্যাকডোনাল্ডের সাম্প্রদায়িক চাল ব্যর্থ হয়, আবার শুধুমাত্র তাঁর অনুপস্থিতে ব্যর্থ হয়ে যায় তৃতীয় গোলটেবিল বৈঠক।তাঁকে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভারতজুড়ে কোন প্রস্তুতি, নেতা, পরিকল্পনা ছাড়াই ছড়িয়ে পরে ভারতছাড়ো আন্দোলন। বিশ্বইতিহাসের প্রথম স্বতঃস্ফূর্ত গনবিদ্রোহ।তিনি দলিতদের জন্য আলাদা সুযোগ চাননি। চেয়েছিলেন তাদের হরিজন বলে বুকে টেনে নিয়ে আপন অধিকার মর্যাদায় বাঁচার সুযোগ দিতে। নিজের জীবনের কালো দিক গুলি নিজেই তুলে ধরেছেন অকপটে। তাঁকে নিয়ে কুৎসার লকগেট তিনি খুলে দিয়েছেন নিজে হাতেই। আবার দাঙ্গা বিধ্বস্ত ভারতে তিনি একা ঘুরে বেড়িয়েছেন শান্তির বার্তা নিয়ে। স্বাধীনতার দিনেও তিনি দিল্লীর আলোকবৃত্তের অনেক দূরে বেলেঘাটায় দাঙ্গা বিরোধী অনশনে রত।

তাই তিনি নিজে রাজা না হয়েও হয়ে উঠেছেন কিংমেকার। অনেক বড় বড় রাজনীতিবিদ থাকলেও ১৯১৭ থেকে ১৯৪৮ পর্যন্ত তিনিই ভারত ইতিহাসের প্রধান চালিকাশক্তি। ভারতের ইতিহাসের এই সময়কাল পেয়েছে গান্ধী যুগের মর্যাদা। তাই স্বাধীনতার এতো বছর পরেও নোটে ভোটে বিজ্ঞাপনে তারই মুখ। বিশ শতকের বিশ্ব ইতিহাসেও সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হন তিনিই। ম্যান্ডেলা তাঁকে আদর্শ বলে মানেন। বিশ্বক্ষমতার প্রতীক আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ওবামার ঘরে ঝোলানো থাকে এই ক্ষীণকায় অর্ধনগ্ন মানুষটির ছবি। তাঁর জন্মদিন বিশ্বে অহিংসা ও শান্তি দিবসের মর্যাদা পায়। ভারতবর্ষ তাঁর গৌরবে গৌরবান্বিত হয়ে ওঠে বিশ্বদরবারে।

আজ ১৫০ তম জন্মদিনেও তিনি সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিরাজ করেন বিশ্ব আকাশে। প্রনাম জানাই তাঁকে। তাঁর অহিংসা ও শান্তির বানী ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। তাঁর আদর্শে জেগে উঠুক সাম্প্রদায়িকতা,নেশা,ভেদাভেদ মুক্ত স্বচ্ছ্ব ভারত। জয় হোক জাতির জনকের।
তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া। ভারতের ইতিহাস – জীবন মুখোপাধ্যায়।

 

_____


FavoriteLoading Add to library

Up next

অবিশ্বাস্য সেই রাত – শাশ্বতী সেনগুপ্ত... বাসে বসে বসেই বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে হয়ে গেল। অমিত ড্রাইভারের পাশের সিটে বসে ‘আর কতদূর’ জিজ্ঞাসা করতেই ড্রাইভার উত্তর দিল, ‘অর থোড়াসা’। অফিসের কাজ নিয়ে এ...
কনে দেখা - মুক্তধারা মুখার্জী ---আহাহা! দারুন পাত্র জানিস তো! ইঞ্জিনিয়ার,বিদেশে থাকে, সুন্দর দেখতে। তুই এবার আর কোনো ব্যাগড়া দিস না আগে থেকেই বলে রাখলাম। আম...
।। অন্য বসন্ত ।। ।। যে বসন্ত প্রথম প্রেম আনে ।। সেই বসন্তটা এমনই ছিল ,যে বসন্তে প্রথম প্রেম এসেছিল ।মাধ্যমিকের বাধ্য মেয়ে ,স্কুল ছুটির বিকেলে ,পথ ভুলেছে নদীর পাড়ে ,পলা...
মাস্টারপিস – শ্বেতা মল্লিক... অ্যালার্ম টা বাজতেই বাস্তবের মাটিতে ফিরে এলাম। একবার কলম ধরলে আর ছাড়া যায় না,এমন কথাটাই প্রযোজ্য লেখক দের জন্য। আরও যদি পছন্দসই লেখার মাধ্যমে পাঠকদ...
পাতু দি গ্রেট – প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জী...  সুর করে দুলে দুলে পড়ে চলেছে শ্রীমান পাতু ওরফে প্রতুল। সন্ধ্যাবেলায় পড়তে না বসলে শান্তি জেঠুর লাঠির হাত থেকে তাকে কেউ রক্ষে করতে পারবে না। পাতুর জ...
টান – সুস্মিতা দত্তরায়... নাম ছিল তার নেপাল মাহাতো। আমরা ডাকতাম 'নেপুদা' বলে। হয়তো কখনও কোনো উঁচু ক্লাসের দিদি আদর করে এই নামটা দিয়েছিল, তারপর থেকে সেই নামটাই রয়ে গেছে। সে যাই ...
নিজের কাছে ফেরা – দেবাশিস ভট্টাচার্য... ভোরের আলো একটু একটু করে ঘরের মধ্যে আসতে আরম্ভ করেছে। বাইরের আকাশটা মেটে সিঁদুর রঙের মতো লাগছে। আস্তে আস্তে পাস ফিরে শুলো ত্রিজিত।রাতের অন্ধকার কেটে গি...
স্মৃতি – স্বরূপ রায়...   ছিন্নভিন্ন দেহটা পড়ে ছিল বহুতলটার নিচে। চারিদিকে অসংখ্য মানুষের ভিড়। মাথাটার পাশে একরাশ রক্ত জমে আছে। জমে থাকা মানুষের ভিতর থেকে নানান মন্তব্য কানে ...
লাল নীল স্বপ্ন- মুক্তধারা মুখার্জী...   দূর। দূর। কি হবে রোজ ছাই পাশ সরকারি চাকরীর পরীক্ষা দিয়ে? খালি গাদা গুচ্ছের টাকা জলাঞ্জলি। চাকরীর পরীক্ষার ফর্ম তুলতেই পকেট ফাঁকা। সাধারণ গ্র‍্...
কল্পনায় অ্যাটলান্টিস... - রাজদীপ ভট্টাচার্য্য   সম্প্রতি ২২ সে জুলাই দা ওয়ার্ল্ড অফ ডি সি সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স এর অন্যতম ছবি একোয়া ম্যান এর প্রথম ট্রেইলার রিলিস হ...
ADMIN

Author: ADMIN

Comments

Please Login to comment