নিজের কাছে ফেরা – দেবাশিস ভট্টাচার্য

ভোরের আলো একটু একটু করে ঘরের মধ্যে আসতে আরম্ভ করেছে। বাইরের আকাশটা মেটে সিঁদুর রঙের মতো লাগছে। আস্তে আস্তে পাস ফিরে শুলো ত্রিজিত।রাতের অন্ধকার কেটে গিয়ে আস্তে আস্তে দিনের আলো ফুটে উঠছে।শরীরটা অনেকদিন বাদে   আজ বেশ হালকা লাগছে।গত কয়েকদিন ধরে যা ধকল গেছে শরীর টার ওপর দিয়ে আর বলার নয়।

আজ মহাষষ্ঠী মায়ের বোধন। চোখ খুলেই ঘড়ির দিকে চোখটা গেল ত্রিজিত এর। সবে ভোর চারটে।সিস্টার টাই বা গেল কোথায় কে জানে ? সব খুলে দিয়েছে ভেন্টিলেশন এর লাইফ সাপোর্ট নল,        কার্ডিয়াক মনিটর, হাতের চ্যানেল এর সাথে লাগানো স্যালাইন এর নল সবকিছু।

তাহলে কাল অনেক রাতে যতদূর আবছা মনে পড়ছে তাতান আর বিদিশা এসে ছিল কিন্তু কেন? ওরা অত কাঁদছিলোই বা কেন? ডক্টর বিনোদ চোপরাও ওদের সঙ্গে ছিলেন। কি সব বোঝাচ্ছিলেন কেন কেন কেন ?

যাকগে অনেক দিন বাদে একটা মুক্তির আনন্দ ,একটা সুস্থ  হওয়ার আনন্দ অনুভব করছিল ত্রিজিত। শরীর টাও খুব ফুরফুরে লাগছে।প্রাণভরে একবার শ্বাস টানলো।তারপর আস্তে আস্তে উঠে বসলো বিছানার উপর।ঘরে আর কিছু নেই। পুরো ঘরটাই ফাঁকা। লাইফ সাপোর্ট মেশিন আর স্যালাইন কিট গুলো দেয়ালের গায়ে রয়েছে।
তার মানে ত্রিজিত সুস্থ হয়ে গেছে ভালো হয়ে গেছে……..

দরজাটা আস্তে করে ফাঁক করে বাইরে পা রাখলো ত্রিজিত।বাইরের টানা বারান্দাটা পুরো ফাঁকা।একটা ট্রলির ওপর একটা কেবিন বয় হাঁ করে ঘুমোচ্ছে।ওকে পাস কাটিয়ে এগিয়ে গিয়ে দাঁড়ালো লিফটের কাছে।সুইচ টা টিপল ত্রিজিত লিফটটা কে ওপরে আনার জন্য।
বড়ো আশ্চর্য লিফটটা তো এলো না।গ্রাউন্ড ফ্লোর এই রয়ে গেছে। বড় বিরক্তি লাগলো এই নার্সিং হোমগুলোর ওপর নুন্যতম পরিসেবাও এরা দিতে পারে না। যত লোকদেখানো পরিসেবা শুধু ভিজিটিং আওয়ার্সএ।

সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেলো ত্রিজিত। নিচের দিকে নামতে লাগলো সিঁড়ি দিয়ে। একদম গ্রাউন্ড ফ্লোরে আসার পর দেখলো রিসেপশন ডেস্কটা পুরো ফাঁকা। দুএকজন নার্সিংহোম স্টাফ এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছে।

কাঁচের দরজার ফাঁকটা দিয়ে বেরিয়ে বাইরে এলো ত্রিজিত।এখনো রোদ ওঠেনি হালকা হালকা অন্ধকার রয়েছে। আরো কিছুক্ষণ  দেরি আছে সূর্য উঠতে।
একটু দাঁড়িয়ে  সামনের দিকে সবে পা বাড়িয়েছে । এমন সময় একটা সাদা গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে দাঁড়ালো নার্সিংহোমের সামনে।
ভেতর থেকে সঙ্গে সঙ্গে দরজা খুলে বেরিয়ে এলো এক ভদ্রমহিলা ও একটি কিশোর ছেলে। আরে কি আশ্চর্য কি মিল বিদিশা আর তাতান এর সঙ্গে।
ত্রিজিত এর পাস দিয়ে ছুটতে ছুটতে দুজন ঢুকে গেল নার্সিংহোমের ভিতরে। ভদ্রমহিলা ক্রমাগত চোখের জল মুছে যাচ্ছেন।

আশ্চর্য এরা যদি বিদিশা আর তাতান হয় এরা কেউই ত্রিজিত কে চিনতে অবধি পারলো না? আর কাঁদছেই বা কেন? ত্রিজিত তো সুস্থ্য হয়ে গেছে।ত্রিজিত একবার ভাবলো যাবে না কি আর একবার ওপরে । তারপর ভাবলো না বিদিশা আর তাতান হলে নিশ্চয় দাঁড়াত।

আর একবার যখন ওপর থেকে নেমে এসেছে আর ওপরে যাওয়া নয়।আস্তে আস্তে নার্সিংহোম কমপাউন্ড এর বাইরে এসে দাঁড়ালো।

চায়ের একটা দোকান সবে খুলেছে। আশেপাশের সব দোকান বন্ধ। রাস্তাটা পুরো খাঁখাঁ করছে। হটাৎই ত্রিজিত একটা টান অনুভব করতে লাগলো দেশের বাড়িতে ফেরার টান।ফেলে আসা কৈশোরের টান। বড় থেকে শিশু হয়ে বাড়ি ফেরার টান।

আজ কতদিন হয়ে গেল।দেশের বাড়িতে যাওয়া হয় নি।মায়ের হাতের তৈরি আলুপোস্ত,বিউলির ডাল, ঢেঁকিছাটা চাল।গোবরে নিকোনো সেই লম্বা বারান্দাটা।ওদিকে গোয়াল ঘর। আর একদিকে মায়ের রান্নাঘর । বাইরে রাখা ধানের মরাই।বাড়ির গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে সেই বিশাল তেঁতুল গাছ।তারপর সামনে সেই বিশাল মাঠ।কোথায় যেন হারিয়ে গেছে দিকচক্রবালে।

একটা ভয়ানক টান অনুভব করতে লাগলো ত্রিজিত।এই শহুরে হাইরাইস বিল্ডিং,এই মেকি সমাজ ছেড়ে পালাতে হবে যে করেই হোক।

কিছু কথা মনে পড়ছে অল্প অল্প করে।বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে জোর করে নিয়ে এসেছিল নিজের কাছে।দেশের সমস্ত জমিজামা বিক্রি করে। মা আসতে চায় নি বলেছিল “বাপী আমি এখানেই ভালো আছি রে।তোরা মাঝে মাঝে আসিস তাহলেই হবে”।শোনেনি ত্রিজিত ভিটে মাটি বিক্রি করে  উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিলি মাকে।

প্রথম রাত থেকেই লড়াইটা শুরু হয়ে গিয়েছিল বিদিশার সঙ্গে।ওর মা,বাবা বছরের এগারো মাসই এসে থাকতেন তার মেয়ের বাড়িতে।সুতরাং থ্রী
বিএইচকে এই  ফ্ল্যাট এ জায়গা কোথায় নিজের মাকে রাখার। বুঝিয়েছিলো ত্রিজিত, বিদিশাকে বলেছিল “তোমার বাবা মায়ের তো একটা নিজের বাড়ি আছে। তোমার দাদা আছে। সুতরাং মাঝে মাঝে এক দুদিনের জন্যে যদি ওনারা আসেন তাতে তো কোনো সমস্যা হয় না”।

একগুঁয়ে বিদিশার এক কথা “আমার বাবা মা আমার নিঃশ্বাস।আমার নিঃশ্বাস টা কি তুমি বন্ধ করতে চাও?একটা গেঁয়ো বুড়ির সাথে সারাদিন থাকা এক হরিবিল ব্যাপার”।

এর দুএকদিন বাদেই বিদিশার বাবা,মা এসে হাজির ফোনে মেয়ের সাথে সব কথাই হয়ে গেছে।
হাজার এক কথার পরে এটাই সিদ্ধান্ত হলো  অক্সিজেন না হলে বিদিশা যেহেতু মারা যেতে পারে। কারণ ওর বাবা মাই ওর  অক্সিজেন তাই আমার কার্বন ডাই অক্সাইড মাকে চলে যেতে হবে সেখানে যেখানে প্রচুর অক্সিজেন আছে সেই বারুইপুরের বৃদ্ধাশ্রমে। যেখানে মায়ের কার্বন শ্বাস কোনো প্রভাব ফেলবে না আমাদের এই দূষিত সমাজে।

মা সব টাই বুঝেছিলি যাওয়ার আগে বলেছিল “বাপী তুই কষ্ট পাস না।আমি এই জন্যেই আসতে চাই নি।যাক তুই আসিস আমার কাছে তাহলেই হবে”।
তারপর থেকে তিন বছর কেটে গেছে মাছের তেলে মাছ ভাজার গল্পটা সঠিক ভাবে প্রযোজ্য হলো আমার কার্বন ডাই অক্সাইড মায়ের ক্ষেত্রে।গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো র মত মায়ের টাকাতেই মায়ের খরচা চলতো। জানিনা বৃদ্ধাশ্রমের ঘন সবুজ গাছগুলো মায়ের কার্বন কমাতে পেরেছিল কি না?

প্রথম দিকে সপ্তাহে একবার করে যেতাম।তাতেও দুই বড়ো “ও টুর” আপত্তি। তারসঙ্গে ছোট “ও টু” আমার বউ একেবারে রাম ভক্ত হনুমান। বাবা মায়ের সাথে মিলে ভক্তি উপদেশ বিলি করা শুরু হলো।
“আমার একদিন ছুটি আমার রেস্ট দরকার। অত দূরে প্রতি সপ্তাহে যাওয়ার কি দরকার? ফোন করেও খবর নেয়া যায়।”এ রকম কত পরামর্শ।শেষ অবধি যাওয়া টা মাসকাবারি হতে হতে বাৎসরিক হয়ে গেলো।

শুধু মনে পড়ছে শেষ দিকে গেলেই মা কান্নাকাটি করতো। ” আবার কবে আসবো”বারবার জিজ্ঞেস করতো আমার হাতটা ধরে। দরজাটা ধরে দাঁড়িয়ে থাকতো যতক্ষণ না আমি গেট টা পার করি।আর আমি এক হাড় মিথ্যেবাদী প্রত্যেকবারই বলতাম “কাজের ভীষণ চাপ চলছে মা। আসবো আসবো নিশ্চই আসবো”।
তারপর একদিন মাঝরাতে একটা ফোন এসেছিল কি যেন  বলেছিল। কে যেনো আর নেই? ঠিক মনে পড়ছে না। কি হয়েছিল সেই রাতে………..

বাস টা এসে দাঁড়ালো হসপিটালের সামনে একজন নামলো বাসটা  হাওড়া যাচ্ছে।বাসে উঠে জানলার ধারে একটা সিট এ বসে পড়লো
ত্রিজিত। কতদিন বাদে আজ গ্রামের বাড়িতে ফিরছে সেই পলাশপুর গ্রাম সেই ছোট নদীর গ্রাম।
সেই মায়ের তুলসীমঞ্চর গ্রাম।সেই তেতুঁল তলার গ্রাম।

ফেরা ফেরা আর ফেরা। এই ফেরা শৈশবে ফেরা।এই ফেরা নিজের কাছে ফেরা।এই ফেরা হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কের কাছে ফেরা।

আশ্চর্যের ব্যাপার কন্ডাক্টর টাও টিকেট নিতে এলো না।ভোরের রাস্তায় ফাঁকা বাসটা কখন যে হাওড়া পৌঁছে গেছে মনে নেই।

স্টেশন এ ঢোকার পর টিকেট কাটতে গিয়ে
ত্রিজিত বুঝতে পারলো ওর কাছে কোনো টাকাই
নেই। অগত্যা বিনা টিকিটেই  উঠে পড়লো দেশের বাড়িতে যাওয়ার ট্রেনে।

খুব আশ্চর্য লাগছিলো ।  একটা বাচ্ছা ছেলে অনেকক্ষণ ধরেই ওকে দেখছিল। মুখটা খুব চেনা চেনা।বাচ্ছা ছেলেটাই আচমকা ওকে জিজ্ঞেস করলো “কি রে নাড়ু কেমন আছিস”।
মুখ দিয়ে আচমকাই কথাটা বেরিয়ে গেলো আরে “ভোঁদা তুই কোথা থেকে এলি ? ”
“তোকে নিয়ে যাওয়ার জন্যেই আমি এসেছি রে।” এরপর সারা রাস্তাই শুধু আমাদের ছোটবেলার গল্পো আর স্মৃতি রোমন্থন।কখন যে ট্রেনটা পৌঁছে গেছে আমার ফেলে আসা শহরটাতে নিজেই জানতে পারলাম না। এখানেও কেউ টিকিট চাইলো না।আজ যেনো সব ফ্রী হয়ে গেছে

ট্রেন থেকে নেমে বাস স্ট্যান্ড ওখান থেকে গ্রামে যাওয়ার বাসটা ধরলাম দুজনে।আশ্চর্য ক্ষিদে তেষ্টা কিছুই লাগছে না। কি হলো আজ সব কিছুই মনে হচ্ছে ম্যাজিক।

প্রায় তিন ঘণ্টা জার্নি পরে বাসটা যখন আমাদের নামলো তখন প্রায় বিকেল। রোদের তাপ কমে আসছে। নাড়ু বললো চল ভোঁদা হাঁটা শুরু করি পৌঁছতে পৌঁছতে প্রায় সন্ধ্যে হয়ে যাবে।

একটা জিনিস কিছুতেই ত্রিজিত মেলাতে পারছিল না “ভোঁদার ও কি একটা হয়ে ছিল। কি হয়েছিলো?কেন কিছুই মনে পড়ছে না?”

যাকগে ভেবে কোনো লাভ নেই অনেক দিন বাদে দুই বন্ধু ছোটবেলার গল্পো করতে করতে কখন যে গন্তব্যে পৌঁছে গেছে নিজেরাই জানে না।গ্রামে যাওয়ার সারা রাস্তাটাই কাশফুলে ঢেকে গেছে। শিউলি ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা চারদিক। সন্ধ্যে নেমে আসছে।মাটির গন্ধ আর ফুলের গন্ধ সব মিলে মিশে একাকার।

বাড়ির দরজার কাছ অবধি পৌঁছে ভোঁদা বলল “নাড়ু তুই ভেতরে যা। খুড়ি আর খুড়ো তোর জন্যে অপেক্ষা করছে। তুই যা আমি একটু বাদে আসছি।” বলেই ভোঁদা ওদের বাড়ির দিকে চলে গেলো।

ভাঙ্গা কাঠের দরজা টা খুলে ভেতরে ঢুকলো
ত্রিজিত কতদিন বাদে প্রায় একযুগ বাদে নিজের বাড়িতে ফেরা। সেই মাটির গোবর নিকোনো বারান্দা। অন্যদিকে সেই গোয়াল ঘরটা।  তারপাশে
মায়ের সেই রান্নাঘর।যেখানে বসে জীবনের সবচেয়ে ভালো ভালো পদ গুলো খেয়েছিল। যেগুলো পরবর্তী কালে অনেক বড়ো ফাইভ স্টার রেস্টুরেন্ট ও পাওয়া যায় নি।

আচমকাই সামনের দিকে তাকাতেই দেখে মা আর বাবা দুজনেই বারান্দাতে বসে আছে।দুজনেই মিট মিট করে হাসছে ত্রিজিত কে দেখে।আর ধৈর্য্য রাখতে পারলো না ত্রিজিত। নিজের অপরাধবোধ তাকে চুরমার করে দিচ্ছিল।প্রায় ছুটে গিয়ে মায়ের পায়ের কাছে বসে কোলের ওপর মুখটা গুঁজে ডুকরে কেঁদে উঠলো ত্রিজিত। মা পরম মমতায় মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে কাঁদছিস কেন? “তুই তো এটা চাস নি বাপি আমি বৃদ্ধাশ্রমে যাই। এখন আমি সব জানি কি হয়েছিল”। বাবাও পাস থেকে বললো “খোকা ওঠ হাত মুখ ধুয়ে নে পুরনো সব কিছু ঝেড়ে ফেলে দে মন থেকে।দেখ তোর মা কত রান্না করেছে তোর জন্যে।”

আচমকাই ত্রিজিত এর মনে পড়ে গেলো বাবা তো আজ থেকে কতদিন আগে মারা গেছে তাহলে?
তারপর চোখ বন্ধ করেই ভাবলো যদি এটা স্বপ্ন হয় তা থাকুক চিরজীবন। এই মেকি অনআন্তরিক সম্পর্কের মাঝে বেঁচে থাকুক এই দামী স্বপ্নটা। মা বললো “খোকা ওঠ খাবি চ। সেই কোন ভোর থেকে তোর জন্যে কত রান্না করেছি যা যা তুই খেতে ভালবাসিস। দুধের শুক্ত, ডুমুরের ডানলা, মোচার ঘন্ট, বড়ির তরকারি,বিউলির ডাল,আলু পোস্ত, চারা মাছের ঝাল,আর আমড়ার চাটনি।”

চোখ দিয়ে জল পড়া আর বন্ধ হচ্ছে না। কি ভুল কি ভুল এই ভালোবাসা দূরে সরিয়ে এতদিন কি করে থাকলো। বাবা মা দুজনেই মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললো “আর তো তোকে ফিরতে হবে না খোকা।তুই তো আমাদের সঙ্গেই থাকবি চিরকাল। আর তোকে ফিরে যেতে হবে না রে । আর তোকে ফিরে যেতে হবে না এমন কারুর কাছে যেখানে ভালোবাসা নেই আছে শুধুই স্বার্থ।”

এবার দিনের আলোর মত সব পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে
সবকিছু। তার মানে আমি আর নেই এই পৃথিবীতে।এই জন্যেই ফিরতে পেরেছি আমি আমার শৈশবে।এই জন্যেই ফিরে যেতে পেরেছি আমার বাবা মার কাছে। ফিরে যেতে পেরেছি আমার ছোটবেলাতে।ফিরে যেতে পেরেছি আমার ছোটবেলার বন্ধুর কাছে। ফিরে যেতে পেরেছি আমার ফেলে আসা গ্রামে।ফেলে আসা শৈশবে।

ফেরা ফেরা ফেরা এ ফেরা মুক্তির ফেরা।  এই ফেরা নিজের কাছে ফেরা। এই ফেরা আমার মায়ের কাছে বাবার কাছে ফেরা…………….


FavoriteLoading Add to library

Up next

ধর্ম মানে আজ ‘লুট লে’ – ঈস্পিতা ... আমরা সাতিশয় ধার্মিক জাতি। কোনও সন্দেহ নেই। ধর্মের একটা দিকই শুধু নেই, সে হলো গে' মানব-ধর্ম। ধর্ম আমাদের প্রেমিক করেছে। মানব প্রেমী নয়। ক্ষমতা প্...
স্বাধীনতার ৭০- গার্গী লাহিড়ী...     উফ আজ বড্ড দেরী হয়ে গেল অদিতির । আবার বৃষ্টিটাও খুব জোরে এল। কেন যে মরতে স্যারের কথায় এখানে এলো ? কাল ১৫ ই অগাস্ট পতাকা উত্তোলন হবে খুব ধুমধ...
আমরা ছিলাম আমরা আছি আমরা থাকবো – দেবাশিস ভট্... "200671 আপ হাওড়া নাগার্জুন এক্সপ্রেস দশ নম্বর প্লাটফর্ম থেকে রাত নটা পনেরো মিনিটে ছাড়বে"। ঘোষণাটা শুনে সুজন নিজের ট্রলি ব্যাগটা নিয়ে এগিয়ে চললো নির্দ...
সবুুুজ মন – গার্গী লাহিড়ী... শ্যামলা মেয়ের হৃদয় জুড়ে সবুজ অরণ্য বসত করে শ্যামলা মেয়ের ঠোঁটের তিলে শত অভিমান গুমরে মরে শ্যামলা মেয়ের কাজল চোখে ভালোবাসা বৃষ্টি হয়ে ঝর...
আডোম শুমারী – সৌম্য ভৌমিক... কত বডি আসে দিনের অবকাশে জ্বালা করে ওঠে চোখটা , আদম শুমারী ঘরেতে কুমারী বিড়ি ধরিয়েছে লোকটা | একদিন রাতে প্রেমিকের হাতে খুন হলো যে যুবতী , লোকট...
ADMIN

Author: ADMIN

Comments

Please Login to comment