প্রেমের গল্প

-“একি বাবা তুমি খালি হাতে বসে রইলে যে?মিষ্টি গুলো তো তোমাদের জন্যেই আনা..দিদি বলুন না ছেলেকে,নিজেরই ঘর ভাবো বাবা…খাও খাও..মেয়ে তৈরী হচ্ছে,এক্ষুনি আসবে..তুমি খাও বাবা..”
-মিষ্টির প্লেট টা বাধ্য হয়ে তুলে নিতে হলো অভিষেক কে,.গত আধ-ঘন্টা ধরে রেডি হচ্ছে নাকি মেয়ে?আরে ‘প্লাষ্টিক সার্জারি’ করলেও এতক্ষনে হয়ে যেত,. – মনে মনে বিরক্ত হলো ও..ঠিক এসব কারণেই মেয়ে দেখার ঝামেলায় আসতে চায়না অভিষেক,কিন্তু মা-বাবা কে বোঝায় কে..ধরে বেঁধে এনে -‘মিষ্টি খাও বাবা মিষ্টি খাও বাবা…’ ,ওনার বাবা জীবনে এত মিষ্টি খেয়েছে কখনো??
মনের কথা মনে রেখে অভিষেক নিজের মায়ের দিকে তাকালো একবার,যেন বলতে চাইছে -“কি গো মা..কোথায় এনে ফেললে বলতো?”…অভিষেকের মা ও চোখে চোখে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বলতে চাইলো -“আর একটু অপেক্ষা কর প্লিজ…”
মিনিট দশেক পরে হাতে ট্রে নিয়ে ঘরে ঢুকলো একজন,পরনে হলুদ শাড়ি,গায়ের রং ফর্সা,লম্বাও বটে..অভিষেক বুঝলো ইনিই তিনি যার অপেক্ষায় আধ-ঘন্টা বসে আছে অভিষেকরা…
অভিষেক গায়ের রং দেখলো বটে,তবে মুখের দিকে তাকালোনা,স্বভাবতই লজ্জা-ভাব,.মেয়েদের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকাটা ঠিক আসেনা ওর,আর ভুল করে কোনো মেয়ের চোখে চোখ পড়লেই ঘাবড়ে যায়..এই স্বভাবটা ছোট বেলা থেকেই…
তবে ট্রে এগিয়ে দেওয়াতে মুখের দিকে তাকাতেই হলো অভিষেক কে,.তার চোখে চোখ রাখতেই রক্ত-চাপ বেড়ে গেল অভিষেকের,হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকের থেকে সামান্য দ্রুত হলো হটাৎ করে,অপলক থেমে গেল অভিষেক….

-“এইযে আমাদের মেয়ে,সুয়েতা..আয় মা বোস বোস…”
সুয়েতা সামনের সিঙ্গেল-সোফাতে গিয়ে মুখ নীচু করে বসে রইলো..
অভিষেক ও মাথা নীচু করেই আছে,কারণ ও জানে এবার ওর মায়ের প্রশ্ন-বিচিত্রা খোলার পালা..আর অভিষেকের এগুলো অল্প বিরক্তিকর ও লাগে..’রান্না পারো কি না,লক্ষীর পাঁচালি পড়তে পারো কি না,গান করতে পারো কি না,এডুকেশন-কোয়ালিফিকেশন কি,কিসের কিসের শখ আছে..’ ..এসব প্রশ্ন শুনলেই অভিষেক ভাবে -‘আরে সরকারি চাকরি করতে আসেনি মেয়েটা,বিয়ে করতে এসেছে,..’
তবে অভিষেকের মা জানে শুধু রূপে মুগ্ধ হলে হবেনা,প্রশ্ন তো উনি করবেন ই..
এসব প্রশ্ন শোনার থেকে আরো দুটো মিষ্টি খেয়ে গা-গুলিয়ে অক্কা পেতে পারলে অভিষেক বাঁচে..

প্রশ্ন-পালা শেষ হলো,যদিও সুয়েতাকে খুব একটা উত্তর দিতে হয়নি,কারণ সুয়েতার মা নিজেই বেশিরভাগ উত্তর দিয়ে দিচ্ছিলেন..
-“আমার মেয়েতো জুতো সেলাই থেকে চন্ডি-পাঠ সব পারে..ওসব নিয়ে আপনাদের চিন্তা করতে হবেনা কোনো..”
অভিষেক মনে মনে ভাবলো -‘পরশুই কোলহাপুরি জুতো গুলো ছিড়েছে,যদি আজ আনতাম জুতো সেলাই এর প্রমান টা পেয়ে যেতাম..ইসঃ,মিস হয়ে গেল..’
প্রশ্ন-পালা শেষের পরে এবার কি হবে সেটাও অভিষেক আন্দাজ করতে পারছিলো,এর আগে 2বার মেয়ে দেখতে গিয়ে এটুকু তো আন্দাজ করতেই পারে ও..এবার কেও একটা সুর টেনে বলবে ছেলে-মেয়ে কে একটু একা থাকতে দেওয়া হোক,ওদেরও তো কথা থাকতে পারে,..আর সুরটা যে কে টানবে সেটাও বোধে-হয় অভিষেক জানতো…
-“চলুন আপনাদের বাগানটা দেখিয়ে আনি আমাদের,সুয়েতার বাবা কত শখ করে বানিয়েছে…ছেলে-মেয়ে নাহয় এখানে থাকুক,কথা বলে নিক নিজেদের মধ্যে,কেমন?থাকো বাবা তোমরা..দাদা চলুন…” -সুয়েতার মা বলে উঠে পড়লো..

প্রথমবার নার্সারি তে ছেলে-মেয়েদের ছাড়ার আগে মায়েরা যেরকম ভাবে তাকায়,.অভিষেক-সুয়েতার মা ও অভিষেক-সুয়েতার দিকে ঠিক সেরকম ভাবে তাকিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল..ঘরে পড়ে রইলো শুধু সুয়েতা আর অভিষেক,..ঘরটা হটাৎ করে গুম মেরে গেল যেন..,সুয়েতা-অভিষেক দুজনেই মাথা নীচু করে বসে আছে,তাঁদের নিঃশাসের শব্দ-টুকুও শোনা যাচ্ছে বোধে হয়..
অভিষেক আর থাকতে না পেরে সুয়েতার দিকে তাকালো একবার,সুয়েতা তখনো মাথা নীচু করে বসে আছে,.কিন্তু অভিষেক কিছুতেই আর নিজেকে আটকাতে পারলোনা,.’হোহো..’ করে হাসতে হাসতে পেট ধরে শুয়ে পড়লো সোফায়..
-“হাহাহাহাহাহা…তুই?হাহাহা..তুই পাত্রী কি করে?..হা..হা..হা..হা..”
-“হাসা হয়েছে?..”-সুয়েতার গলা ভারী..
অভিষেক কোনো মতে হাসি আটকে সোফায় উঠে বসে বললো-“হাহাহা…হ্যাঁ হয়েছে..”
-“জানতিস যখন আমি পাত্রী,তখন এলি কেন অভিষেক
?আমার উপর হাসতে?”
-“হা…হা….যদি জানতাম তুই পাত্রী তাহলে সত্যিই আসতাম না,রবিবার বলে 9টাতে ঘুম ভাঙলো,মা শার্ট এনে বললো ‘পরে নে,বেরোতে হবে’,আমিও কিছু না বলে বেরিয়ে গেলাম…তোদের বাড়ির সামনে এসে জানতে পারলাম মেয়ে দেখতে এসেছি,মা বললো এটা সার্জিকাল-স্ট্রাইক ছিল..আর তোরা ঘর শিফট করেছিস সেটাও বা জানবো কিকরে?..কিন্তু তুই রাজি হলি কেন?তাও আমাকে দেখতে?”
-“গিটার ক্লাস থেকে ফিরে এসেই মা শাড়ি এনে বললো দেখতে আসছে আমায়,যাতে রেডি হয়ে যাই…মা কে কতবার বলেছি আমায় না বলে এসব করতে না,আজ আসতাম ও না তোদের সামনে,শুধু বাপি জোর করলো বলে…….”

তারপর আবার দুজনের মধ্যে সেই নিস্তব্ধতা কিছুক্ষন,কথার খেই হারানো দুটো মানুষ,মনে মনে শব্দ সাজাচ্ছে…
যদিও অভিষেকের শব্দই আগে সাজানো হলো,না জিজ্ঞেস করে থাকতে পারলোনা আর..
-“তা…যার জন্যে আমাকে ছেড়েছিলি তাকে ছেড়ে বিয়ের সম্মন্ধ দেখছিস কেন?মা-বাবা জোর করে দিচ্ছে?নাকি তাকেও আমার মতওওওও…….হুম?”
সুয়েতা জানতো এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই হতো ওকে কখনো না কখনো..চোখের শিরায় জল এসে পৌঁছে ছিল আগেই,প্রশ্ন শুনে চোখের কানায় এসে থামলো সেটা..

সুয়েতা মাথা নীচু করে বসে থাকলো কিছুক্ষন,তারপরে একটা গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে সুয়েতা বললো..
-“সৌম্য ছেড়ে দিয়েছে আমাকে,.কয়েকমাস হলো…..”
-“ওওও..তাই??আর সেই জন্যেই বিয়ের জন্যে ছেলে দেখতে কোনো আপত্তি নেই তোর..তাইতো?আমার বদলে অন্য কেও আসলে পছন্দও করে নিতি…না?”
-“হ্যাঁ..হয়তো তাই…”
অভিষেক ঠোঁট শক্ত করে একটা হাসি হেসে বললো -“ওয়াও…ক্ল্যাপ্স ফর মিস সুয়েতা ব্যানার্জী,দারুন দারুন………
সেদিন রাতে কি যেন বলেছিলি?মনে পড়ছে?যে ছেড়ে গেল তোকে,তার সাথে তো তোর ভালো থাকার কথা ছিল..নাঃ?”
সুয়েতা কিছু বলতে পারলোনা,শুধু চোখের জল গুলো বিন্দু বিন্দু হয়ে পড়তে লাগলো ওর গাল বেয়ে..
-“আমি নাকি আমাদের সস্পর্কটাকে নিয়ে সিরিয়াস ছিলাম না,সব কিছু ইয়ার্কি মনে হতো আমার..,এগুলোই বলেছিলি না..?সত্যি ভালো-বেসেছিলিস তো?
যখন তোর হাত ধরে কপালে ঠোঁট লাগিয়ে বলতাম তোকে ভালোবাসি,তখনও কি ইয়ার্কি মনে হতো তোর সুয়েতা?আমার চোখে দেখতে পেতিসনা কতটা চাইতাম তোকে,এই সম্পর্কটাকে?
কিন্তু আমি নাকি সিরিয়াস ছিলাম না,তোর সন্দেহ ছিল আমার আর তোর সম্পর্কটাকে নিয়ে..হা হা হা…ভাবলেও হাসি পায়,কতই না ভালোবাসতাম তোকে,.তারপর যেদিন তুই এসে বললি অন্য কাউকে ভালোবাসিস,এক পলকে প্রেম-ভালোবাসা সব মিথ্যে হয়ে গেল,একসাথে থাকার প্রতিশ্রুতি গুলো,একে-অপরকে দেওয়া অধিকার গুলো..সব সব মিথ্যে হয়ে গেল সেদিন…আর আজ দেখ…….”
সুয়েতা মুখ তুলে তাকালো অভিষেকের দিকে,অভিষেকের চোখেও জল জমেছে…আর থাকতে পারলোনা সুয়েতা,অভিষেকের হাত দুটো নিজের হাতে শক্ত করে ধরে বললো..
-“তোর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেবো ভেবেছিলাম অভিষেক বিশ্বাস কর,কিন্তু পারিনি রে..কি মুখ নিয়ে যেতাম তোর কাছে?কি বলে ক্ষমা চাইতাম?তুই পারতিস আমাকে ক্ষমা করতে..?আমি নিজেই আজপর্যন্ত নিজেকে ক্ষমা করতে পারিনি অভিষেক সেই দিনটার জন্যে,তুই কিকরে পারতিস তবে?..প্রতিটা রাত কেঁদেছি তোর জন্যে..অন্য কারুর সাথে ভালো থাকতে পারিনি রে,অন্য কারুর সাথে ভালো থাকার কথাও ছিলোনা আমার…তোর সাথে থাকার অভ্যাসটা ছাড়তে পারিনি,এটা জেনেও যে আর তোর কাছে ফিরে যেতে পারবোনা আমি..সৌমও আমাকে তার জন্যেই ছাড়ে,কারণ আমি তখনো তোকে ভালোবাসতাম অভিষেক…আজও বাসি….”
বলতে বলতে অভিষেকের হাত দুটো কপালে ঠেকালো সুয়েতা,আর কেঁদে গেল অঝোরে..এরকম ভাবে বসে থাকলো দুজন কতক্ষন জানেনা তারা,শেষে সুয়েতা শুধু বললো…
-“….ক্ষমার যোগ্য নই আমি,তবে যদি পারিস….যদি ভালোবেসে থাকিস কখনো…………”
সুয়েতা আর কিছু বলতে পারলোনা,অভিষেকের হাত ছেড়ে দিয়ে নিজের ঘরে চলে গেল,.অভিষেক বসে রইলো একা,হাতে ফোটা ফোটা জল তখনো বর্তমান….অভিষেক নিশ্চুপ হয়ে বসে রইলো হাতের দিকে তাকিয়ে…

সুয়েতা আর অভিষেকের মা-বাবা ফিরলো…সুয়েতার মা ঘরে ঢুকেই দেখলো সুয়েতা নেই,.অভিষেক কে জিজ্ঞেস করলো -“বাবা কথা বলা হলো?সুয়েতা কে দেখছিনা যে……….”
অভিষেকের সম্বিৎ ফিরলো,উঠে দাঁড়িয়ে বললো -“ও ঘরে গেছে,আমাদের কথা শেষ…মা-বাবা?তোমরা গল্প করে নাও…আমি বাইরে গাড়ি বের-করছি,কথা বলা হয়ে গেলে চলে এসো…কাকিমা আসলাম,কাকু আসছি…”
অভিষেক সুয়েতার মা-বাবাকে প্রণাম করে বেরিয়ে গেল…

কিছুক্ষন বাদেই অভিষেকের মা-বাবা বাইরে বেরোলো,সাথে সুয়েতাও এসেছিলো,অভিষেক তাকালোনা সুয়েতার দিকে,”আসছি” বললো শুধু…
গাড়ি সুয়েতাদের বাড়ি পেরোতেই অভিষেকের মা বলে উঠলো -“কি এমন তাড়া ছিল তোর শুনি?ওরকম করার কি মানে ছিল?মেয়ে পছন্দ হয়নি বলে এরকম ভাব দেখাবি?আর এমন কিই বা খারাপ ছিল মেয়েটার মধ্যে অভি?ভালো মেয়েকে না করলি তুই…”
অভিষেক কিছু বলছেনা দেখে অভিষেকের মা ও চুপ করে রইলো..মনে মনে রাগ হলো ছেলের উপর,কিন্তু দেখাতে পারলোনা…
বাড়ি ফিরেই অভিষেক নিজের রুম এর দিকে যাচ্ছিলো দোতলায়,অভিষেকের মা আটকালো অভিষেক কে,বললো -“না করার মতো কোনো কারণ নেই আমার কাছে,ওদের কি বলবো বলে যা,তোর বাবা ফোন করবে এখনই..”
মায়ের গলার রাগ স্পষ্ট বুঝতে পারলো অভিষেক,বললো -“বাবা ফোন করো,আমি কথা বলবো…”
অভিষেক বাবার কাছ থেকে ফোন নিয়ে কানে লাগলো..

-“হ্যালো কাকিমা আমি অভিষেক বলছি…সুয়েতা আছে?দিতে পারবেন প্লিজ একটু?….হ্যালো…….” বলতে বলতে অভিষেক নিজের রুম এ চলে গেল..কিছুক্ষন বাদে বেরিয়ে এসে ফোন টা বাড়িয়ে দিলো মায়ের দিকে..
অভিষেকের মা বললো -“কি অজুহাত দিলি একটু বল…আমরাও শুনি…”
অভিষেক হেসে বললো -“বললাম আমার মা অনেক রাগী,আপনার মেয়েকে টর্চার করবে অনেক…আমি বিয়েতে মত দিলাম.,বাকিটা তোমার কথা ভেবে সুয়েতা ভেবে বলবে ওর মত আছে কি না….”
অভিষেকের মা লাফিয়ে উঠে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বললো -“জানতাম তোরও পছন্দ হবে অভি,আমার সোনা ছেলেটা..কি গো মিষ্টি আনো,বসে রইলে যে?…”

অভিষেক নিজের রুমএর দিকে গেল..যেতে যেতে অভিষেকের ফোন টা টুং করে বেজে উঠলো..সুয়েতার ম্যাসেজ-
“থ্যাংক ইউ সেকেন্ড চান্স দেবার জন্যে…থাঙ্কস এ লট”
————সমাপ্ত———–


FavoriteLoading Add to library
    Up next
    ভূ-স্বর্গ ঘুরে আসুন... - বিভূতি ভূষন বিশ্বাস               ভ্রমন করতে কে না ভালোবাসে কিন্তু ভ্রমন করাই মানে যেমন আনন্দ করা তেমনই এটাও খেয়াল রাখা উচিত সেটি কোনমতেই যেন নিরান...
    উপহার – বিভূতি ভূষন বিশ্বাস... মায়ের হাত ধরে কাঁচা রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে আছি । একেবারে অজপাড়াগাঁ ফাঁকা রাস্তা,লোকজন নেই বললেই চলে । দুটি ছোট্ট ছেলে কাঁধে হাত দিয়ে হেঁটে আসছে । আমার থ...
    কথোপকথন  সদ্য বিয়ে হওয়া বউমা আর শাশুড়ি কথোপকথন -সকালবেলা--" এই যে মেয়ে, বাপের বাড়ি থেকে তো কিছুই শিখে আসোনি, বলি কটা বাজে খেয়াল আছে?এতো বেলা করে উঠলে বলি সংসা...
    হারানো সুর – সুস্মিতা দত্তরায়... চোখের জল বাঁধ ভাঙলো ইরার। চোখ ছাপিয়ে দুই গাল বেয়ে নেমে এলো অশ্রুধারা। দুই হাতে তা মুছে আবার ফিরে তাকাল ওই দোতলা বাড়ীটার দিকে। তারপর ধীর পায়ে উঠোনটা পে...
    দূর্গামায়ের সিন্দুরকৌটো – স্বরূপ রায়... ১ আজ চতুর্থী। টুনু আর ফজিল বসে ঠাকুর গড়া দেখছিল। টুনুদের বাড়িতে প্রতি বছর দুর্গাপূজা হয়। টুনুর প্রপিতামহ সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এই অঞ্চলের জমিদার। ...
    পিতৃত্ব – শ্বেতা মল্লিক... আমি অনীক সাহা, বয়স ৪০। পেশায় শিক্ষক। ১৫বছর ধরে এই পেশার সাথে যুক্ত আছি। অবিবাহিত থাকার অঙ্গীকার করেছিলাম। কিন্তু সন্তান সুখ যে কখনো পাব, তেমনটা ভা...
    আমার ঠাকুর - চন্দ্রাবলী ব্যানার্জী   দিদির ওয়ার্ক এডুকেশন খাতায় প্রথম দেখলাম সাদা দাড়ি ওয়ালা একটা লোকের ছবি, এক পাশে ছবি সাঁটা, অন্য দিকে এত্তসব লেখা ...
    ।।ঠোঁটের ভালোবাসা।।... ফেসবুক থেকে বেডরুমের জার্নিটা তোর মনে আছে?কি যে বলিস? ভোলার জো আছে?তোর এক ডাকেতেই কিভাবে ছুটে গেছিলাম নর্থ টু সাউথ?দরজায় তোর ফার্স্ট অ্যাপিয়ারেন্সেই...
    ওদের তো মন আছে, শরীর আছে – তুষার চক্রবর্তী... (১) সৌনক আটটা নাগাদ ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুয়ে নিজের হাতে চা বানিয়ে নিয়ে, এসে বসেছে তার আট তলার ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে। সঙ্গে গত সোম থেকে আজ রবিবারের খবরের ...
    না মিটিতে সাধ এ জীবনে মোর মধুরাতি গেল ফুরায়ে ( বি...      ১৯৪৫ সালের কোনো একদিন, একটি ২০, ২১ বছরের ছেলে অধীর আগ্রহ নিয়ে সায়গল সাহেবের বাড়ি তে এসেছে...নিজের সত্যিকারের পরিচয় দেওয়ার সাহস হয়নি, ক্যামেরা ন...
    Subhajit Roy

    Author: Subhajit Roy

    Itrovert,anxious,reader🙄🙄

    Comments

    Please Login to comment