ফেসবুক এনভি

ফেসবুকে লগ ইন করতেই হোম পেজ জুড়ে মীরা চৌধুরী আর তার পরিবারের এক ঝাঁক ছবি দেখে স্ক্রল বারটা একটু থামায় পৃথা। ফেসবুকের নীল সাদা পেজটি যেন আজ পুরোটাই মীরার দখলে। শীতের ছুটিতে সাজেক গিয়েছিল ওরা।  সেখানকারই ছবি, নানা রঙ্গে নানা ঢং এ। দেখে ভ্রু কিছুটা কুঁচকে যায় পৃথার। কপালে সেই বিরক্তির রেখা নিয়েই ছবিগুলো এক এক করে দেখে সে। সাজেকের মন মুগ্ধকর প্রকৃতি , মেঘের ভেলা আর তার মাঝে মীরা আর তার  হাস্যজ্জ্বল পরিবার। এক একটা ছবি যেন সুখী জীবনের প্রতিচ্ছবি। সবগুলো ছবি দেখে একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয় তার। আর ভালো লাগে না ফেসবুকিং। লগ আউট হয়ে  চুপচাপ বসে থাকে কিছুক্ষন।

এই মীরা চৌধুরী আইডির মেয়েটিকে সে খুব ভালো করে চেনে না। একই ক্যাম্পাসে পড়ত মেয়েটা, তাই পরিচিত চেহারাটি। পরে একাধিক কমন ফ্রেন্ডের সুবাদে তার বন্ধু তালিকায় স্থান পেয়েছে। কিন্তু এ্যাড হওয়ার পর থেকেই ফেসবুক ওপেন করলেই তার ছবি দেখা যাবেই। সর্বক্ষন যেন আনন্দ লুটোপুটি তার পদতলে। এই আজ কোনো পার্টিতে তো কাল কোনো গেট টুগেদার এ। দুইদিন পরেই দেখা যাবে ফুল ফ্যামিলি চলে গিয়েছে কোথাও অবকাস যাপনে। সেখান থেকে ফিরতে না ফিরতেই আবার নতুন কোনো ডেস্টিনেশনে। প্রথম প্রথম সে খুব অবাক হত, এত ছবি আপ্লোড করতে পারে মেয়েটা! কিন্তু এখন দেখতে দেখতে এখন কেমন যেন অস্বস্তি হয় তার। বিরক্তি ছেয়ে বসে। ইদানিং বিরক্তির জায়গায় কোনো এক অদৃশ্য কারণে ধীরে ধীরে  কেমন যেন একঅদ্ভুত ক্রোধ অনুভব করে সে ওর ছবিগুলো দেখলেই। মাঝে মাঝেই ভাবে আনফ্রেন্ড করে দিবে কিন্তু কি এক অদ্ভুত আকর্ষনে সেটাও করতে পারে না। চরম বিরক্তি আর অন্তরে ক্ষোভ নিয়েই সে দেখে যায় ছবিগুলো।

শুধু যে মীরার ছবি দেখলেই এমন হয় তার তা কিন্তু নয়। ওর বান্ধবী লিমা, বোনের ননদ রাইমা এদের ছবি দেখলেও তার একই অনুভূতি হয়। ওদের সুখী, ঝলমলে , প্রাণ উচ্ছ্বল হাসি আর সুখ উপচানো জীবনের কাছে তার সদামাটা সংসারটা কোথায় যেন ম্লান হয়ে যায়। ওর বর আশিক একটু নিরস আর মুখচোরা প্রকৃতির। পরিবার আর অফিস ছাড়া আর কিছুই বোঝে না। দশ বছরের সংসার তার। এই দীর্ঘদিনে দুইবার কক্সবাজার আর একবার সিলেট ছাড়া আর কোথাও যায়নি তারা। পরপর দুই মেয়ে হওয়ায় মেয়েরা যখন ছোট ছিল তখন এমনিতেও কোথাও যাওয়া হয়নি। তাছাড়া ও যে নিজেও খুব ভ্রমন বিলাসীতাও নয়, বরং বলা যায় একটু ঘরকুনোই কিন্তু ইদানিং এই ফেসবুকে সবার সুখী, হাসিখুশি ছবি দেখে কেমন যেন ধীরে ধীরে হীনমন্যতায় আক্রান্ত হচ্ছে সে, এটা সে বেশ বুঝতে পারছে।

সন্ধ্যায় আশিক অফিস থেকে ফিরতেই ও তেমন কথা বলে না, মুখ গোমড়া করে রাখে। ক্লান্ত আশিক পৃথার এই রুপ দেখে একটু অবাক  হয়। দুই একবার জানতে চায় কী হয়েছে কিন্তু মুখের আঁধার কাটে না পৃথার। মেয়েদের সাথেও পড়া নিয়ে অযথা বকাঝকা করে। আশিকের সাথেও সামান্য কি এক কারণে খ্যাচখ্যাচ করে ওঠে।

“কী হয়েছে তোমার, বলত” রাতে জিজ্ঞাসা করে আশিক।

“কী আবার হবে, কিছু হয়নি।”

“কিছু তো নিশ্চয়ই হয়েছে, নইলে মুখ এমন গোমড়া কেন?”

“আমার মুখ গোমড়া হলেই কি আর না হলেই কি। কিছু যায় আসে তোমার?” তীব্র কটাক্ষ হেনে কথার বান ছোড়ে পৃথা। পৃথার এই তীর্যক বানে অসহায় বোধ করে আশিক। 

“এমন করে বলছ কেন? কী হয়েছে খুলে বল প্লিজ”

“আচ্ছা, আমাদের দশ বছর বিয়ে হয়েছে, এর মাঝে আমায় কোথাও নিয়ে গিয়েছ?”কন্ঠে ক্ষোভ আর অভিমান ঝরে পড়ে পৃথার।

“কী বলছ এসব? কোথাও নিয়ে যাই না মানে? কোথায় যেতে চাও বল। নিয়ে যাচ্ছি। তার জন্যে এমন করছ কেনো?” একটু অসহিষ্ণু কন্ঠে বলে আশিক। পৃথার এমন অদ্ভুত আচরনে কিছুটা বিরক্ত হয় সে।

“ইশ, এমনভাবে বলছ যেন বললেই নিয়ে যাবে। তোমার দৌড় তো আমার জানা আছে, হয় কক্সবাজার না হয় সিলেট। পারবে দেশের বাইরে নিয়ে যেতে? সবাইকে দেখি ছুটিতে দেশের বাইরে নয়ত দেশের ভিতরেই ভালো ভালো রিসোর্টে যায়। আমাদের কপালে তো আর সেসব নাই।”  দীর্ঘদিনের ক্ষোভ যেন সব উগরে দেয় পৃথা আজ।

অবাক হয়ে পৃথার দিকে তাকিয়ে থাকে আশিক। এই দশ বছরে এমন অভিযোগ কখনো করেনি পৃথা। ওরা যে এমনিতে বাইরে বেড়াতে যায় না তা নয়, দুই মেয়েকে নিয়ে প্রায়ই ছুটির দিনগুলোতে ঢাকার ভেতরেই ঘুরতে যায়। এছাড়া বিভিন্ন দাওয়াতে মাঝে মাঝে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতেও যাওয়া হয়। দেশীয় একটি কোম্পানীতে মোটামুটি বেতনের চাকরি করে আশিক। বাড়ি ভাড়া, মেয়েদের পড়ার খরচ , সংসারের অন্যান্য খরচ চালিয়ে বেতনের আর কত টাকা থাকে যে দেশের বাইরে বেড়াতে যাবে। ওর আর্থিক অবস্থা তো পৃথার চেয়ে ভালো কেউ জানে না, তবুও এমন অবুঝের মত কথা কেনো বলছে আজ সে? কিছুতেই বুঝতে পারে না আশিক।

পরবর্তী আধা ঘন্টা শুধুই তীর্যক বাক্য বিনিময়, একে অপরের প্রতি কটাক্ষ, পাওয়া না পাওয়ার হাহাকার। দশ বছরের সকল অতৃপ্তির হিসাব যেন আজ রাতেই সব উসুল করে নিতে চায় পৃথা। অতঃপর সকল হিসেব নিকেস অপুর্ণ রেখেই দুজনে দুই পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার ভান করে শুয়ে পড়ে বিছানায়।

মফস্বলে বেড়ে উঠা মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে পৃথা। আশিকের সাথে দশ বছরের এই সংসারে কখনোই তাকে অসুখী মনে হয়নি কখনো। বিয়ের পর তীলে তীলে দুজন মিলে সংসারটিকে গড়ে তুলেছে তারা। অঢেল রোজগার আশিকের কখনোই ছিল না। তারপরও মেয়েদুটিকে ঢাকার ভাল স্কুলে দিয়েছে, একটু একটু করে টাকা জমাচ্ছে একটা ফ্ল্যাটের ডাউন পেমেন্ট এর জন্য। ভবিষ্যতে ঢাকায় একটা মাথা গোজার ঠাই হলে আর কিছু চাই না তাদের।  সব কিছু ভালোই চলছিল কিন্তু ইদানিং পৃথার মধ্যে হঠাৎ করেই হীনমন্যতা কাজ করছে। আর হীনমন্য হবে নাইবা কেনো, রিমিকে সেদিন সে ফেসবুকে দেখল স্বামীর সাথে টার্কিতে গেছে বেড়াতে। সুখ যেন উপচে পড়ছে তার চোখে মুখে। অথচ এই মেয়েটি ক্লাসে সব চেয়ে লাস্ট বেঞ্চে বসত, এস এস সিতে ওদের সাথে প্রথমবার পাশই করতে পারেনি। ওর তুলনায় অনেক ভালো রেজাল্ট ছিল পৃথার। অথচ আজ সে কোথায় আর পৃথা কোথায়। কলেজ জীবনে যে রানা নামের যে ছেলেটি ওকে প্রেম নিবেদন করে ব্যার্থ হয়েছিল, দুই বছর পিছ পিছ ঘুরেও পৃথার কাছে কোনো আশ্বাস না পেয়ে ব্যার্থ মনোরথে ফিরে গিয়েছিল সেই ছেলেকে সেদিন ওর এক বান্ধবীর সাথে কমন ফ্রেন্ড হিসেবে ফেসবুকে পেয়ে কৌতুহল বশে প্রোফাইলে গিয়ে দেখল সে এখন একটি মোবাইল কোম্পানীতে উচ্চ পদস্থ প্রকৌশলী। মালয়শিয়ায় টুইন টাওয়ারের সামনে বউকে জড়িয়ে ধরে হাসিমুখে ওর কভার ফটোটি যেন পৃথাকে ব্যাঙ্গ করছে। আর পারে না সে, বেড়িয়ে আসে ওর প্রোফাইল থেকে। ইদানিং ফেসবুক ওপেন করলেই মীরা, রিমি, লিমা, রাইমার সুখী সুখী মুখ তাকে স্বস্তিতে থাকতে দেয় না কিছুতেই। না, আর নয়, এবার ওকেও সুখী হতেই হবে। আবার আশিকের ওপর অভিমান হয় তার। যেভাবেই হোক, এবার দেশের বাইরে যাবেই সে। অন্তত একবার হলেও। আশিকের থেকে অন্য পাশে মুখ ফিরিয়ে শুয়ে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে পৃথা। পাশাপাশি শুয়েও জানতেই পারে না আজ অনেক দিন পর আশিকের রাতটাওনির্ঘুমেই কাটে।

 

পরদিন মেয়েদুটোকে স্কুলে রেখে পাশেই একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে যায় সে। টুকটাক সংসারের কিছু কেনাকাটা বাকি আছে।হঠাৎ ওর পাশেই কেনাকাটারত এক মহিলাকে দেখে খুব পরিচিত মনে হয় তার। ভালোভাবে মুখটা দেখার চেস্টা করে। অবশেষে চিনতে পারে সে, আরে, এতো সেই মীরা। ফেসবুকের হোমপেজ রঙ্গীন করে থাকা সেই মীরা চৌধুরী। কাছ থেকে দেখে একটু রোগা মনে হয় তাকে। একবার ভাবে কথা  বলবে কিন্তু কি যেন একটা সংকোচ ঘিরে ধরে তাকে,কথা বলে না। মেয়েটা মনে হয় ওকে লক্ষ্য করেনি। এক মনে কেনাকাটা করছে সে।  জিনিসপত্র নাড়াচাড়া করতে করতে ওকে খেয়াল করে পৃথা। একটু ধীরে ধীরে হাটছে মেয়েটা। অসুস্থ নাকি? ছবিতে যত উচ্ছ্বল আর সুন্দর দেখায় মেয়েটাকে বাস্তবে ততটা নয় সে। পৃথা আর আগ বাড়িয়ে এগিয়ে যায় না। কেনাকাটা করে বের হয়ে আসে।

পরবর্তী কয়েকদিন ধরে বাসায় মোটামুটি ছোট খাট যুদ্ধক্ষেত্রের অবতারনা  করে অবশেষে আশিককে রাজী করায় ছুটিতে ইন্ডিয়া বেড়াতে যাওয়ার জন্য। পাসপোর্ট করতে দেয় দ্রুত। এরপর থেকে বেশ ফুরুফুরে মেজাজেই থাকে ও। ইদানিং ফেসবুকে অন্যদের সুখের গল্পগুলো আর অসহ্য লাগছে না তেমন। এমন কি মাঝে মাঝে লাইকও দেয় তাদের ছবিতে। এমনি একদিন ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ করে এক স্ট্যাটাসে এসে চোখ আটকে যায় তার। মীরার স্বামীর স্ট্যাটাস, মীরাকে ট্যাগ করা। হসপিটালে শুয়ে আছে মীরা। ওর ছবি দেখে চমকে ওঠে সে। একি চেহারা হয়েছে মেয়েটার! এই কয়েকদিনে হঠাত করে চোখ মুখ যেন কোটরে ঢুকে গেছে। কিডনীর সমস্যায় ভুগছে মীরা। এক কিডনী হয়ত কেটে ফেলতে হবে। ওর বর সবার কাছে দোয়া চেয়েছে। হতভম্ব হয়ে বসে থাকে পৃথা। এইজন্যেই সেদিন ওকে অসুস্থ দেখাচ্ছিল। একটু কথা বললেই হত মেয়েটার সাথে । কি চমৎকার একটা পরিবার! কয়েকদিন আগেও তিন জনের সাজেকের ছবি দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছে সে, আর আজ? ইশ ওর যদি কিছু হয়ে যায়, কী হবে এই পরিবারটার? মনটা খারাপ হয়ে যায় পৃথার। কিন্তু কী এক অদ্ভুত কারণে এই প্রথম মীরার ছবি দেখে তার অস্বস্তি হয় না যা এতদিন হয়ে এসেছে তার। জীবনেও যেটা করে না আজ করে। ওর ছবিতে কমেন্ট করে, “গেট ওয়েল সুন, উই আর প্রেইং ফর ইউ”।শত শত কমেন্টের ভীড়ে তা চাপাও পড়ে যায়।

দেখতে দেখতে কয়েক মাস কেটে যায় । এর মাঝে ইন্ডিয়া থেকে ঘুরে আসে তারা। এবার  ফেসবুকের টাইমলাইন কয়েকদিন পৃথা আর তার পরিবারের দখলে।  মীরাদের মত অত প্রাণোচ্ছ্বল না হলেও অন্তত ফেসবুক ফ্রেন্ডদের তার সুখ বোঝানোর জন্য যথেস্ট তার ছবিগুলো। লাইক কমেন্টের বন্যাও বয়ে যায় যথারীতি। যদিও এই লাইক কমেন্ট আনতে গিয়ে আশিককে তার একটা ডিপোজিট ভাংগতে হয়েছে, তাতে কী ?

এর মাঝে মীরার কোনো আপডেট আর পায়নি সে। সত্যি বলতে কি এখন মীরা মেয়েটার কথা মনে হলে মনটা খারাপই লাগে তার। রাগ বা ঈর্ষা আসে না। মোবাইলটা হাতে নিয়ে ওর ইন্ডিয়া ট্যুরের ছবিগুলো বারবার দেখতে থাকে সে। কিছুক্ষন পর আবার হোমপেজে এসে হঠাৎ একটি ছবি দেখে চোখ কোটর ছেড়ে বের হয়ে আসতে চায় তার। সাগর পাড়ে মীরা আর তার পরিবারের হাস্যজ্বল ছবি,। বারবার দেখে নিশ্চিত হয়, না, এটা পুরনো ছবি নয়। আজকেই আপলোড করা। ক্যাপশন দেখে বুঝতে পারে, এখন অনেকটাই সুস্থ সে এখন। তাই সবাইকে নিয়ে আবার এসেছে দেশের বাইরে। বাহ, মীরা তাহলে সুস্থ হয়েছে, ভালো তো। বারবার দেখে ছবিটা, নাহ, অসুস্থ মনে হচ্ছে না মেয়েটাকে।কিছুক্ষন ছবিটা দেখে ধীরে ধীরে স্ক্রল করে নেমে আসে সে, লাইক বা কমেন্ট কোনোটাই করা হয় না। বহুদিন পরে সেই অস্বস্তিটি ফিরে আসে আবার। বুকের মাঝে আবার কী সেই চিনচিনে ব্যাথা? আজ অনেকদিন পর আবার তার সেই পুর্বতন পাণীপ্রার্থী রানার প্রোফাইলে চুপিচুপি ঢোকে সে। একি, তার প্রোফাইল পিকচার আবার চেঞ্জ। রোমের কলোসিয়ামের সামনে ছেলে আর বউকে নিয়ে তার নতুন প্রো পিকটি যেন ঝলমল করছে আর সেই তীব্র জৌলুসে আবার জ্বলে পুড়ে যেতে থাকে পৃথা। ওর টাইমলাইনে এবার পুরো এ্যালবাম আপলোড করা। ইতালী, জার্মান, ফ্রান্স, কত ছবি।  নিজেদের দিল্লী, আগ্রা আর কলকাতার ছবিগুলো যেন মুহুর্তেই তাদের তাৎপর্য্য হারিয়ে ম্লান হয়ে যায়। কপালে ভাঁজটি আবার ফিরে আসে পৃথার। সেই ভাঁজ পড়া কপাল নিয়েই সে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে থাকে প্রতিটি ছবি।

এদিকে তার থেকে লক্ষ লক্ষ মাইল দূরে মার্ক জুকারবার্গ নামক এক ভদ্রলোক তখন তার বিখ্যাত ধুসর বর্নের টি শার্টটি পরে সি এন এন চ্যানেলে তার পরবর্তী ইন্টারভিউ এর জন্যে প্রস্তত হচ্ছেন। সামাজিক বন্ধন গড়ে তুলতে সোস্যাল নেটোয়ার্কের গুরুত্ব ও ভুমিকা নিয়ে আজ তার একটি নাতিদীর্ঘ  বক্তব্য আছে যে।


FavoriteLoading Add to library

    Up next

    পুজোর একদিনের পরকীয়া প্রেম (সাথে সুজয় দা আর পুচকী)... আমি সোহিনী , আর ওই যে দালানে হলুদ পাঞ্জাবী পরা ভদ্রলোকটি আমার দাদা আর তার ঠিক পাশেই বেগুনী পাঞ্জাবী , দাদার বন্ধু সুজয় দা । আজ অষ্টমীর সকাল আর আমাদের...
    দৃষ্টিভেদ – শুভেন্দু সামন্ত... হিমের ভোর-জানালার রোদ শিখার মতো তোমার মায়াভরা দৃষ্টি , বুক ভেদ করে যায় চোলে । এ-প্রান্ত থেকে ও- প্রান্ত ।এ বড় মধুর দহন , যেন স্বপ্নের দেশে স্ব...
    Poem…ফাগুনের ডাক   ফাগুনের ডাক চারিদিকে শুধু জ্বলছে আগুন জ্বলুক না, আজ আগুনকে বইছে ফাগুন বউক না।।   বনভূমিতে আজ আবির রঙ লাগুক না, পলাশ শিমুলে যেন খুশির ঢঙ জাগুক না।।...
    বসুধার কান্না – গার্গী লাহিড়ী... ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত অবনি নিতে চায় অবসর, উত্তরে বলে বিশ্ব বিধাতা আরো পর আরো পর | কাতর কণ্ঠে ধরা বলে যায় আমার সবুজ সকলই শুকায়, এত অন্যায় এত অবিচ...
    দেশগাথা – সমর্পণ মজুমদার...     এই সেই দেশ, ভূমিতে যাঁহার সকল জাতির ধূলি- সুনিপুণভাবে মিশিয়াছে মহা মিলনের রব তুলি। এই সেই দেশ ঐক‍্য যাঁহার আজনম মহাব্রত, সে ব্রত...
    নষ্ট মেয়ে -গার্গী লাহিড়ী... নষ্ট মেয়ে আমি অবাক হচ্ছো ? নির্লজ্জ্ব কথাটা কেমন অনায়াসে বললাম? আমি লাজ বিক্রি করি , দেহের বেসাতি আমার পথের ধুলায় পড়ে থাকে লাল ফুল ছাপ বিছানায় ...
    সত্যজিতের চিড়িয়াখানা-প্রচুর আলোচনা ও সামান্য সমালো... একটা সিনেমা তৈরির পেছনে যে ইন্টারেস্টিং গল্পগুলো থাকে তা দিয়েই হয়তো আরেকটা সিনেমা বানানো হয়ে যেতে পারে। এরকম বহু ছবি আছে যা তৈরি হতে হাজারো বাধা এসেছি...
    সংসার জীবন – প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়... ধ্যাৎ তেরিকা, এটা একটা জীবন হল! দিনরাত গাধার মতো খাটছি। কার জন্য খাটছি জানি না। কেউ কারোর নয়। মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলে পর হয়ে যাবে। আদর করে মানুষ করলাম। গা...
    দেখ কেমন লাগে – দেবাশিস ভট্টাচার্য... সাল--2218 একটু আগেই ঘুম টা ভাঙলো সায়ন এর সানাই এর আওয়াজে।মাথা টা এমনিতেই ভারী হয়ে রয়েছে।সেই ভোর রাত্তিরে মা,দিদি আরো সবাই এসে দই,চিঁড়ে দিয়ে মাখা একট...
    সামলে রাখো জোছনাকে …..... "---সামলে রাখো জোছনাকে" "ও চাঁদ, সামলে রাখো জোছনাকে ", ওই জোছনা তোমার কেন আবার, আমায় পিছন থেকে ডাকে।। জোছনার ফাঁদে পা দিলেই যাবো সর্বনাশের ফাঁকে, ঝ...
    sabiha sultana

    Author: sabiha sultana

    Comments

    Please Login to comment