বল্টুর মামার বাড়িতে বাঘ রহস্য -রুমা কোলে( বেনামী )

{ ১ }
          ” বল্টু ” খুব ডানপিটে, সাহসী আর মেধাবী একটি ছেলে । ভালো নাম ” সুবোধ মল্লিক “। কলকাতা শহরের সরকারি একটি স্কুলে পাঠরত । আর মা ভালোবেসে ডাকে ” বল্টু “।
            বল্টুর তখন ক্লাস ফাইভ । বছরের শেষ , মাঘ মাস , স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষাটা সবে শেষ হয়েছে, মানেই এক মাস ছুটি । আর ছুটি মানেই বেশ কয়েকটা দিন মামার বাড়ির আদর । সে বছর বল্টুর মামা একটা বাড়ি কিনেছিল। দাদুর বাস্তুগ্রামের ঠিক পাশেই মালদহ জেলায় কোতুয়ালী গ্রামে । বল্টুর পরীক্ষার কারণে গৃহপ্রবেশের অনুষ্ঠানে যাওয়া হয়ে ওঠেনি । তাই পুটলি , পাটলা গুটিয়েই পরীক্ষা শেষের পরের দিনই স- পরিবারে রওনা দিল ।
           পাঁচ – ছয় ঘন্টার পথ, ট্রেনে চেপে যখন মালদহ স্টেশনে পৌঁছাল সন্ধ্যা প্রায় হব হব । শীতের সময় এমনিই অন্ধকার ঘনিয়ে আসে চটজলদি তার ওপর যদি হয় মাঘের শীত । ট্রেন থেকে নামতেই দেখে বল্টুর মামা আর ভাই দাঁড়িয়ে । বল্টুর মা তখন ব্যাগ থেকে টুপি ,মাফলার বের করে ছেলেকে জড়াতে ব্যস্ত । মামা বল্টুর মায়ের হাত থেকে ব্যাগটা নিয়ে বলল ” চলুন জামাইবাবু স্টেশনের বাইরে একখান গরুর গাড়ি ভাড়া করে এয়েছি চটজলদি উঠে পড়ুন ক্ষণ নইলে অন্ধকার ঘনিয়ে এইবে যে “। বল্টু ভাইয়ের হাত ধরে দৌঁড়াতে লাগল । বছরের এই একটা সময়ই সে সুযোগ পায় শহরের দূষণ ছেড়ে খোলা মাটির গন্ধে মিশে যাওয়ার । প্রায় আধ ঘণ্টা গরুর গাড়িতে সওয়ারের পর পনেরো মিনিট হাঁটা পথে মামার বাড়ি পৌঁছালো সে । অন্ধকার থাকলেও বাড়িটা বেশ পুরোনোই মনে হল । গ্রামের অনেকটা ভেতরে আর বাড়ির পিছন দিকটা অনেক গাছপালা । ‘ বাগান হবে বোধ হয় ‘ বল্টু মনে মনে বলল। রাতে লুচি – পাঁঠার মাংস আর দিদুর হাতের নলেন গুঁড়ের পায়েস । ভুঁড়িভোজ সেরে লেপ-কম্বল মুরি দিয়ে শুতে যাবে, কারেন্ট অফফ । গ্রাম্য রাত , এমনি চারিদিক অন্ধকার আর নিস্তব্ধ , তার ওপর কারেন্ট চলে যাওয়ায় রাত ন’টা ও গভীর রাত্রি প্রতিপন্ন হতে লাগল বল্টুর । বল্টুর দিদু লন্ঠন জ্বেলে ঘরে এনে বলল ” আনোটা কমিয়ে জলদি ঘুমিয়ে পর দেখি , একুনি বাঘ – শেয়ালের তান্ডব শুরু হবে । জ্বালা । বাপ – ঠাকুরের ভিটে ছেড়ে কী দরকার ছিল বাপু জানি নে বনে বাদারের পাশে পুনোনো বাড়ি কেনার “।
          বল্টু এক লাফে খাট থেকে নেমে ” বাঘ !! শেয়াল !! এখানে !! আমি দেখব । বলেই দিদুর হাত থেকে লন্ঠনটা নিয়ে এক ছুট্টে দু-তলায় । পিছন পিছন ওর ভাই ।বল্টুর দিদু চিৎকার করে উঠল ” ওরে ওরে অন্ধকারে যাস নে , তোর মামা এতলাটাই সারাই করেছে ,দুতলাটা এখনো ঝাড়াঝুড়ি হয় নে । কোথায় হাত-পা ভাঙবে , আমি আর পারি নে বাপু “।
         কিছুক্ষণ পর নেমে ” ধুস , তুমি যে কীসব বলোনা , কোথায় বাঘ ?,কোথায় শেয়াল ? কিছুই নেই ” বল্টুর মামি ভাইয়ের হাতটা ধরে ” নে নে সব অনেক দৌঁড়াত্ব হয়েছে এবার ঘুমিয়ে পর সব ।” বল্টুর আবার রোজকার অভ্যাস রাতে গল্পের বই না পড়লে ঘুম আসেনা । তাই সারাদিনের ক্লান্তি থাকলেও আধ ঘণ্টা লন্ঠনের আলোয় বাঘিরার গল্প পড়তে পড়তে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছে, যখন চোখ খুলল পাশে মা আর মামিকে শোনে রাতে বাঘের গর্জন নিয়ে কীসব কথা বলছে । ” কাল বাঘ সত্যি সত্যি এসেছিল?  কই আমি তো শুনি নি ।” বল্টুর মা শুনে বলে ” তুই ঘুমালে শুনবি কি করে ?”
                                 { ২ }
              সকাল দশটা । অফিস থেকে বল্টুর বাবা দুই দিনই ছুটি পেয়েছিল । তাই কিছুদিনের জন্য তাদের মামারবাড়িতে রেখে সকালের মুড়ি – মুরকি খেয়ে রওনা দিল বাড়ির উদ্দেশ্যে । বাবা রওনা দেওয়ার পরই বল্টু ভাইয়ের হাত টেনে খেলার নাম করে এক দৌড়ে ছাদে । ছাদের পিছনের দিকে তাকিয়ে অনেকক্ষণ ধরে পর্যবেক্ষণ করে সে আর মনে মনে বিড়বিড় করতে করতে ” দেখে তো ছোটো খাটো জঙ্গল বলেই মনে হচ্ছে,  দু-তিন কিলোমিটার হবে। এখানে শেয়ালের উৎপাত মানা যায় কিন্তু বাঘ! !
          সারাটাদিন খেলাধুলা, খাওয়া দাওয়া শেষ করে কাটানোর পর বল্টু ঠিক করল না আজকে রাতে আর ঘুমালে চলবে না , বাঘ আর বাঘের ডাক দুটোই শুনতে হবেই । এইসব এলোপাথাড়ি ভাবতে ভাবতে কখন যে রাত একটা বেজে গেছে, বুঝতে পারেনি সে , চোখটা প্রায় লেগে আসছে , নিস্তব্ধ চারিদিক, হঠাৎ হালুম ! হালুম ! খুব খুব কাছ থেকে ভেসে আসছে, একি জানালা দিয়ে ওটা কিসের আলো !!! তাড়াতাড়ি করে জানালাটা খুলে বল্টু দেখে এক অদ্ভুদ কান্ড অন্ধকারে কেমন যেন একটা আগুনের গোলা উড়ে যাচ্ছে আর বাঘের গর্জনটা ওই দিক থেকেই ভেসে আসছে । এমন অদ্ভুদ দৃশ্য ভূত !!!! প্রচন্ড ভয়ে জানালাটা সপাটে বন্ধ করে কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে পরলাম হাঁপাতে হাঁপাতে । সে রাতে আর ঘুম আসেনা বল্টুর ।
                                      { ৩ }
           পরদিন সকালে উঠে বল্টু দাদানের সাথে গল্প জুড়েছে । গল্প ছলে বল্টু দাদানকে জিজ্ঞেস করল ” আচ্ছা দাদান ওই জঙ্গলের বাঘটাকে তোমরা কেউ কখনও দেখেছ ? ” দাদান বলল ” না গো দাদুভাই, আমরা কেন এ-অঞ্চলের কেউই কখনো দেখেনে, গর্জন শুনে, আর ও-দিক পানে যাওয়ার সাহস কেউ কখনো করে নে ” । আচ্ছা দাদান বাঘটা কেন শুধু রাতের বেলা আসে ? দিনের বেলা তো দেখি না?  দাদান হাসতে হাসতে ” তা আমি জানি নে বাপু , বাঘমামার হয়তো ইচ্ছে হয় নে ।”
           কিছুটা ভয় সংবরণ করে বল্টু সেদিন রাতেও অপেক্ষা করছিল । রাত একটা নাগাদ আবারও একই ঘটনার পূর্ণরাবৃত্তি । নিজেকে আর আটকাতে না পেরে টর্চটা হাতে নিয়ে ধেয়ে গেল আগুনের গোলাটার দিকে । দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে কখন যে এক্কেবারে জঙ্গলের অনেকটা ভেতরে ঢুকে পরেছে বল্টু খেয়ালই করেনি । চারিদিকে ঘুটঘুটে কালো কিছুই দেখা যাচ্ছে না, ভীষন ভয় করছে এবার বল্টুর । আত্মারামখাঁচা । হঠাৎ মাথায় ভারী কিছুর আঘাত । প্রথমে টর্চটা , তারপর বল্টু মাটিতে লুটিয়ে পরলো । তারপর কি হয়েছে ওর আর কিছু মনে নেই , চোখ যখন খুলল একটা শালপাতার ছাওয়া ঘর আর সামনে পোড়া মশালের ছাই । ভোর প্রায় হব হব । পাশ ফিরে দেখে ” একি আপনি কে ? আপনি কি কিডনাপার ? ” ছেঁড়া ফাটা ধুতি আর শাল গায়ে , মাথায় সাদা চুলগুলো উশকো খুশকো , মুখে একগাল পাকা দাঁড়িওলা আর চোখগুলো লাল লাল , বৃদ্ধ শরীরটাও যেন লোহার মতো শক্ত পোক্ত ।
                                   { ৪ }
                   বল্টু জেগে উঠেছে দেখে বৃদ্ধ বল্টুকে চেপে ধরল ” বল তুই কে ? এ জঙ্গলে কী করতে এয়েছিস ? ওই ওই গ্রামবাসী গুলোর অনুচর তুই তাই না ? আমাকে ধরিয়ে দিতে চাস ? হা হা ” বল্টু গলাটা প্রায় শুকিয়ে গেছে,  ভীত স্বরে , ” দেখুন আপনি কে আমি জানি না । আমি বাড়ি যাব শুধু । প্লিস আমাকে ছেড়ে দিন । মা দেখতে না পেলে খুব মার মারবে ” ” চুপ একদম” ধমক দিয়ে বৃদ্ধ বলল ” তোকে যেতে দিই আর আমার খবর সবাই পেয়ে হাজতবাস করাক । তিরিশটা বছর লুকিয়ে এয়েছি ” বল্টু এবার সত্যিই খুব ভয় পেয়েছে কাঁদতে কাঁদতে বলল ” দাদু আমাকে যেতে দাও, আমি কাউকে কিছুটি বলব না । আমি তো শুধু বাঘ দেখতে এসেছিলাম ” বৃদ্ধ ভেসে উঠল ” হা হা হা! বাঘ ! খোকা তোর তো দেখছি খুব সাহস । অ্য । বাঘের ভয়ে কেউ এ তল্লাটে পা মারায় না আর তুই কিনা এই রেতের বেলায় এক্কেবারে মাঝ জঙ্গলে! ! ” বল্টু কিছুটা সাহস পেল ” কিন্তু বাঘটা কোথায় থাকে ? তুমি তো এখানেই থাক দেখোনি কখনো ? বাঘটা খালি রাতেই কেন আসে দিনের বেলায় কী করে ও? ” হঠাৎ ঘরের মধ্যেই সেই বাঘের গর্জন । বল্টু ভয়ে কেঁপে উঠল । দাদুটার দিকে তাকিয়ে দেখে উনিই এমন আওয়াজ করছেন মুখ দিয়ে । বল্টু কৌতুহল বশত জিজ্ঞাস করল ” তার মানে তুমিই !!! আর ওই আগুনের গোলা সেটা এই মশাল !!! অন্ধকারে ঠিক মতো বুঝতে পরিনি । কিন্তু তুমি এমন ভয় দেখাও কেন ? ” ” ভয় দেখাই কি আর সাথে রে খোকা , ওরা নাহলে আমায় মেরে ফেলবে হে ” বল্টু অবাক হয়ে ” মেরে ফেলবে !!! মানে !! কেন ?? ”  ” সে অনেক অনেক বছর আগে হে খোকা , আমি ছিলেম মস্ত বড়ো ডাকাত সর্দার । আর সেবার এই গেরামে ডাকাতি করতে এয়ে জমিদার বাড়িতে , পরলুম ধরা , কতো ডাকাত মরে , কারও হাজতঘর আর আমি পালিয়ে গেরামবাসীদের তাড়া খেয়ে এ জঙ্গলে গা ঢাকা দেই । আর জঙ্গলেই আমাদের বাস তাই থাকার অভেসটুকু ছেলোই আর বাঘের আওয়াজটা আত্মগোপনেই শেখা । তা ছেলে তুই কাদের খোকা হে ? এখানে এইলি ভয় করে নে রে রেতের বেলা ?” বল্টুর যেটুকু ভয় ছিল মনে সবটা যেন চলে গেল এক নিমেষে ” আমি কলকাতা থেকে এসেছি গো ডাকাতদাদু , ওই জঙ্গল শেষে ওটা আমার মামার বাড়ি , বেরাতে এসেছি , তা ডাকাতদাদু তুমি আমায় অমন আওয়াজ করা শেখাবে গো ? ” ডাকাতের চোখে জল চলে এল ” কী বললি হে খোকা ডাকাতদাদু!!! হা হা হা !!! আর একবার বল দেখি ” ” ডাকাতদাদু ওওও ডাকাতদাদু ” বুকে জড়িয়ে ধরে দরজার কাছে গিয়ে বলল ” যা খোকা বাড়ি যা, সকাল হয়ে এলো , সবাই খোঁজাখুঁজি করবে। ” বল্টু চোখের জল মুছিয়ে ” কিন্তু তুমি আমায় শেখাবে না ? ” ডাকাত হেসে বলে ” হা হা তুই আর একদিন আসিস আমি শেখাবক্ষণ আজ অনেক দেরি হয়ে গেছে তুই বাড়ি যা ” বল্টু এক ছুট্টে কিছুটা এগিয়ে গিয়ে ” এবার যখন আসব তোমার গেরামবাসীদের নিয়েই আসব কিন্তু ” ডাকাত কেবল হাসতে থাকে ।
             বল্টু সবাই ওঠার আগেই বাড়ি পৌঁছে যায় । পরদিন সকালে বল্টুর বাবা ওদের আনতে আসে ।” হালুম হালুম ” জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ভেসে আসে । সেবার যাওয়ার সময় বাঘটা প্রথমবার সকালে গর্জন করেছিল । বল্টুর আর সেবার বাঘের আওয়াজ শেখা হয়নি । তবে যাওয়ার সময় ভাইকে বলে এলো ” পরের বার যখন আসব বাঘের আওয়াজ শিখে যাব ।”
                               ( সমাপ্ত )


FavoriteLoading Add to library
Up next
আমার তুমি- মুক্তধারা মুখার্জী...   “কিগো, তাড়াতাড়ি এসো না। মশারিটা তাড়াতাড়ি টাঙিয়ে দিয়ে যাও না। আর কতক্ষণ বসে থাকবো। বসে বসে তো গাঁটের যন্ত্রণাটা বেড়ে গেল”। “তো আমি কি করবো? আম...
পরিশোধ স্পৃহা -তুষার চক্রবর্তী...    সুমনা সোফায় বসে ফোনের অপেক্ষা করছে। বেশ অধৈর্য্য লাগছে। সময় যেন কাটছে না। চিন্তাও হচ্ছে। পল্লবের ছেলেরা কি ঠিকঠাক কাজটা করে উঠতে পারলো না! এতো দেরি...
দাতা – অরূপ ওঝা কাল তো সে এসেছিল, নিয়ম করেই আসে রোজ। যখন দীপন অফিসে কাজের ফাঁকে দুপুর দেড়টার সময় টিফিন করতে বসে, ঠিক তখনই সে হানা দেয় “জয় মাতাজী, জয় মাতাজী” স্লোগান দ...
স্বাস্থ্যগঠনে যোগব্যায়ামের ভূমিকা – কৌশিক প্... 'যোগ' শব্দটির অর্থ হলো মিলন বা সংযোগ,অনেকক্ষেত্রে 'যোগ' শব্দটি আবার নিয়ন্ত্রণ অর্থেও ব্যবহৃত হয় আর 'ব্যায়াম' শব্দটির অর্থ হলো স্বাস্থ্যরক্ষা বা বলবৃ...
নষ্ট প্রেম – প্রিয়তোষ ব্যানার্জী... দু হাত দিয়ে মেখেছি তোমার লজ্জার আবীর গোপনে, নির্জনে,অন্দ্ধকারে ছুঁয়েছি শরীর - তোমার ঠোঁটের মধ্যে খুঁজেছি উত্তেজনা রক্তিম গালে পেতে চেয়েছি সুখ কামনা...
মায়া – সরোজ কুমার চক্রবর্তী... ছোট সে এক ছেলে সারাদিন টোটো করে বেড়াই সে খেলে | আমাদেরই বাড়ির নীচে একটা বস্তি আছে সেখানেই তার বাস | হঠাৎ সেদিন ঘুমের মাঝে কার ডাকে ঘুম গেলো ভেঙে...
নিঃসীম সুদূরের আহ্বানে... - অরূপ ওঝা   ইচ্ছে হয়,যাই উড়ে অজানা জগতের পানে, ছেড়ে সমস্ত বাহুপাশ যাবো ছুটে নিঃসীম সুদূরের আহ্বানে l বড়ো দুর্বার সে ডাক সমস্ত পিছুটান যাক...
স্বর্ণযুগের ছড়া – প্রথম পর্ব।... গুপ্তযুগকে সুবর্ণযুগ বলা হত ইতিহাসেতেমনি এক সোনার যুগছিল এই বাংলাদেশেসাদাকালো সেসব ছবিরঙীন তার পোস্টারলবিকার্ড আর বুকলেটেআছে সে বিপুল সম্ভারউত্তম সুচি...
অমানুষ, এক অমর উত্তম গাথা-... - অস্থির কবি (কল্লোল চক্রবর্ত্তী) (উত্তম পর্ব ২) উত্তম কুমারের প্রায় শেষ দিকের অভিনয় জীবনের এক মাস্টার স্ট্রোক হল - "অমানুষ"। এই ছবির পর তিনি বম্বেত...
মৃত্যুহীন ভালোবাসা... - ডঃ মৌসুমি খাঁ ভালোবাসার মৃত্যু নেই সে চিরন্তন বয়ে চলেছে হৃদয় জুড়ে - মনের এক ফল্গু নদীর চোরাস্রোতের মতো, কখনও উদ্দাম উচ্ছল জলধারা ভাসিয়ে নিয়ে য...
ADMIN

Author: ADMIN

Comments

Please Login to comment