মুক্তি

images (8)

 

‘আমায় তুমি মেরে ফেলবে মা? আমি মেয়ে সেটা কি আমার দোষ মা? আমায় তুমি বাঁচাবে না?’
এক ঝটকায় চোখ দুটো খুলে ফেলল পাপড়ি। দরদর করে ঘামছে, গলা শুকিয়ে কাঠ। বিছানায় উঠে বসে ব্ল্যাঙ্কেট টা গা থেকে সরিয়ে ফেলল। ডিসেম্বরের মাঝরাতে যেন বৈশাখের গরম অনুভব করছে।বেডসাইড ল্যাম্প টা জ্বালিয়ে কাঁচের গ্লাস টা থেকে একটু জল খেল। ঘড়িতে টাইম দেখল, তিনটে বেজে পনেরো। পাশে তাকিয়ে দেখল, রঞ্জিত ঘুমোচ্ছে। ডাকবে ওকে একবার? কিন্তু কি বলবে ডেকে?ও তো দুঃস্বপ্ন বলে উড়িয়ে দেবে।
ব্যালকনিতে এসে দাঁড়াল পাপড়ি। হাইরাইজিং বিল্ডিং এর ষোলো তলার উপর থেকে রাতের কলকাতার সৌন্দর্য নতুন ভাবে ধরা দিচ্ছে। নর্থ কলকাতার মেয়ে পাপড়ি, বিবাহসূত্রে এখন সাউথ কলকাতার বাসিন্দা। দুই বছর আগে ব্যবসায়ী ফ্যামিলির একমাত্র ছেলে রঞ্জিত ব্যানার্জির সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। পাপড়ির মা বাবা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ, একমাত্র মেয়ে পাপড়ির বিয়ে মধ্যবিত্ত সরকারি চাকুরে ছেলের সাথে হোক এমনটাই ইচ্ছা ছিল। কিন্তু পাপড়ির ভাগ্যে অন্য কিছুই লেখা ছিল। একটা এনজিও তে কাজ করত পাপড়ি, বাচ্চাদের প্রতি সবসময় একটা টান ছিল ওর। সেখানেই আলাপ রঞ্জিতের সাথে। রঞ্জিত আসত ডোনেশন দিতে, তারপর বন্ধুত্ব, সেখান থেকে প্রেম আর একবছর পর বিয়ে। গোড়াতে পাপড়ির মা বাবা একটু আপত্তি করলেও ছেলেটির সাথে কথা বলে মেয়ের সুখের কাছে রাজি হতে হয়েছিল।

পাপড়ি খুব সাধারণ মেয়ে। হাই সোসাইটির আদব কায়দা ওর জানা ছিল না। কিন্তু রঞ্জিতের পরিবার উচ্চবিত্ত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছুটা যে গোঁড়াও ছিল সেটা পাপড়ি আগে বোঝেনি।। বুঝল বিয়ের এক সপ্তাহের মাথায় যখন চাকরি থেকে ফেরার পর শ্বশুরমশাই বললেন,
‘ তোমার কি রোজই বাড়ি ফিরতে এতটা দেরী হবে?’
‘ না আসলে এতদিন পর জয়েন করেছি তো তাই একটু দেরী হল।’
‘ দেখো পাপড়ি, একটা কথা বলি। ভগবানের কৃপায় কোন কিছুর অভাব আমাদের নেই। তাই তোমাকে রোজ এতরাত অবধি বাড়ির বাইরে কাটাতে হবে না। আর এমনিও কলকাতা এখন আগের মত সেফ নয়।’
পাপড়ি কোলের ব্যাগটা আঁকড়ে বসে রইল। চোখটা ছল ছল করছে, মনে হচ্ছে ওর হৃৎপিণ্ড টা কে উপড়ে বের করে নিতে চাইছে। শাশুড়ি মা রান্নাঘরে ছিলেন, এসে ওর পাশে বসলেন।
‘ আমরা তো তোমার ভালোর জন্যই বলছি। তাছাড়া ছেলে এতটাকা রোজগার করছে। তোমার আর কি দরকার রোজ রোজ ভোরবেলা করে বেরোনোর? বাড়ি থাকো, ঘরের কাজকর্ম করো। আমরা যদি এসব না সামলাই আর কে করবে? বাইরে টা ওরা বাবা আর ছেলেকেই সামলাতে দাও।’
সংসারের বেড়াজালে সেদিন থেকেই আটকে পড়েছিল পাপড়ি। বুঝেছিল রঞ্জিতের মা বাবা কে বলে কিছু হবে না। যার হাত ধরে এবাড়িতে আসা,সে নিশ্চয়ই বুঝবে। সেদিন রাতে…….
‘ আচ্ছা রঞ্জিত, তোমার বাড়িতে মেয়েদের চাকরি করাতে কোন অসুবিধা আছে?’
‘ হঠাৎ এ কথা? মা বাবা কিছু বলেছে ?’
‘ তারমানে তুমি জানো বিষয়টা? আগে বলোনি কেন?’
‘ কি করতে জানলে? বিয়ে করতে না পাগলি?’, জোরে হেসে পাপড়ি কে কাছে টেনে নিল রঞ্জিত।
‘ আমি সেটা বলিনি, কিন্তু চাকরি টা আমি কেন করি তুমি তো জানো। ঐ বাচ্চা গুলো আমার জগৎ।’
‘ আর আমরা? পাপড়ি, এখন তো আমরাও তোমার জগতের একটা অংশ,তাই কি না? আর বাচ্চা তুমি ভালোবাসো তার ব্যবস্থা ও হয়ে যাবে।’, পাপড়ির ঠোঁটে একটা আলতো চুমু দেয় রঞ্জিত।
পরদিন রঞ্জিত সারপ্রাইজ দেয় পাপড়ি কে। হানিমুনের টিকিট, মরিশাস। আপাতদৃষ্টিতে খুশি হলেও পাপড়ি জানত, এটা ছিল তার চাকরি ছাড়ার উপহার, তাকে ভোলানোর উপায় মাত্র। বারো দিনের ছুটি কাটিয়ে যখন ওরা ফিরে আসে, তখন রঞ্জিতের মা খুব অসুস্থ। হার্টের প্রবলেম ধরা পড়েছে, অপারেশন না হওয়া অবধি নো স্ট্রেস। সংসারের দায়িত্ব এসে পড়ল পাপড়ির উপর। ভেবেছিল হানিমুন থেকে ফিরে চাকরিটা টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করবে, কিন্তু সে ভাবনা শুধু ভাবনাতেই থেকে গেল। চার দেওয়ালের বাইরে আর পা রাখা হল না।

বেশ ভালো হাওয়া দিচ্ছে আজ। এসির চেয়ে এই বাতাসে আরাম অনেক বেশি। তার কারণ হয়তো সারা বাড়িতে এই একটাই জায়গা যেখানে এসে পাপড়ি যেন নিজেকে খুঁজে পায়,এখানেই সে একমাত্র নিজের সাথে সময় কাটায়। অতীত, বর্তমান নিয়ে ভাবতে ভাবতে ভবিষ্যতের দিকে আর এগোতে পারে না পাপড়ি। সত্যি কি ও এমন জীবন চেয়েছিল? ভাবতে ভাবতে এনজিও-র বাচ্চা গুলোর কথা মনে পড়ে যায়। কতদিন দেখেনি পাপড়ির ওদের, কাছে নিয়ে পড়াতে বসেনি। বাচ্চা খুব ভালোবাসে পাপড়ি, হয়ত তার এই একটা সাধই রঞ্জিত এই দুই বছরে পূরণ করতে পেরেছে। ৩ মাস আগে খবরটা আসে।

‘ রঞ্জিত? একটু উঠবে।’
‘ ঘুমোতে দাও, পরে শুনবো।’, মদের নেশা জড়ানো গলায় উত্তর এলো।
‘ আই থিঙ্ক আই হ্যাভ কনসিভড।’
‘ হোয়াট?’, রঞ্জিত লাফ দিয়ে উঠলো বিছানা থেকে। নেশা কেটে গেছে।
পাপড়ি প্রেগা নিউজের কিটটা এগিয়ে দিল। রঞ্জিতের চোখ গুলো বড় থেকে আস্তে আস্তে কুঁচকে গেল। একগাল হেসে পাপড়ি কে বুকে টেনে নিল।
‘ থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ পাপড়ি, থ্যাংকস অ্যালট। তাড়াতাড়ি তৈরী হয়ে নাও। উই স্যুড কনসাল্ট অ্যা ডক্টর ফার্স্ট।’
বাড়িতে খবরটা জানার পর ছোটোখাটো একটা উৎসব লেগে গেল যেন। আত্মীয় স্বজনদের ফোন আসা শুরু হল, খুশির হাওয়া বইতে লাগলো। অনেকদিন পর যেন পাপড়ির মনেও আনন্দের ছোঁয়া লাগল। একটা সময় মনে হয়েছিল জীবনটা যেন থমকে গেছে। সবকিছু আছে, কিন্তু যেন কিছুই নেই। কোথাও একটা শূন্যতা গ্রাস করতে চাইছিল পাপড়ি কে। তারই মাঝে এই খবর। আশার আলো দেখতে শুরু করল পাপড়ি। বাড়ির সবাই বেশ খেয়াল রাখত পাপড়ির। বিশেষ করে রঞ্জিত, নিয়মিত খোঁজ রাখছিল। ঠিক যেমন বিয়ের আগে খোঁজ নিত। পাপড়ির ছোট ছোট ইচ্ছা গুলো তো রঞ্জিতেরই দেখা উচিত, তবু মাঝের সময়টায় অনেক কিছু পাল্টে গেছিল। একটা ছোট্ট প্রাণের আগমন কি এতটাই সুখকর হয় তবে? একটু একটু করে পাপড়ি নিজের মধ্যে অনুভব করতে লাগল। রোজ যেন ব্যালকনিতে বসে নিজের শরীরের নতুন অংশের সাথে কথোপকথন চলত। কিন্তু হঠাৎ একটা ছোট্ট ঘটনায় মনের মধ্যে একটা দুশ্চিন্তা দানা বাঁধতে শুরু করে পাপড়ির।
সেদিন ছিল শনিবার, পাপড়ির শাশুড়ি মন্দির থেকে পূজো দিয়ে ফিরলেন। পাপড়ি একগ্লাস জল নিয়ে এসে বসলো।
‘ বড্ড ভিড় ছিল মন্দিরে। শনিবার বলে বোধহয় এত বেশি ছিল।’
‘ আপনাকে তো বলেছিলাম মা, কালী মন্দিরে শনিবারে খুব ভিড় হয়। আজ না গেলেই পারতেন। এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন আপনি।’
‘ ধুর! এটুকু আবার কোন কষ্ট নাকি? আমার বংশের প্রদীপ আসছে, আমার নাতি আসছে,আমি ঠাম্মা হয়ে একটু পূজো দিয়ে আসতে পারব না? এরপর তো কত দৌড়ঝাঁপ করতে হবে। এখনই হাঁফিয়ে পড়লে চলবে?’, পাপড়ির থুতনি ধরে একটু আদর করে দিলেন।
‘ কিন্তু মা, নাতিই কেন হবে? নাতনি কেন নয়?’
হঠাৎ শাশুড়ির মুখের হাসিটা যেন হারিয়ে গেল। উঠে পড়লেন কাউচ থেকে।ঘরের দিকে যাওয়ার সময় শুধু একটা কথাই বললেন,
‘ এমন অপয়া কথা আর কখনো মুখে আনবে না।’
সারাদিন শাশুড়ির কথাটা কানে বেজেছে। পাপড়ি কিছুতেই বুঝতে পারছিল না রঞ্জিতের মা কেন এমন কথা বললেন? রাতে রঞ্জিত ফিরলে পাপড়ি প্রশ্ন টা করেই ফেলল,
‘ আচ্ছা, আমাদের যদি একটা ফুটফুটে মেয়ে হয়?’
রঞ্জিত ওর দিকে তাকালো, ঠিক ওর মায়ের মত দৃষ্টি।
I’m’ আমাকে বলেছ এই অবধি, বাড়ির আর কারোর সামনে ভুলেও উচ্চারণ করবে না।’
‘ কেন? কি ভুল বলেছি আমি? তোমরা মেয়ে চাও না?’
‘ না চাই না, মেয়ে আমাদের পরিবারের জন্য অশুভ। আমাদের বাড়ির কোন মেয়ে ঠিকঠাক সংসার করতে পারেনি, হয় ডিভোর্স না হয় বিধবা হয়ে ফিরে এসেছে। তাই আমরা কেউ চাই না আমাদের সাথেও তেমন কিছু হোক।’
পাপড়ি চুপচাপ বসে ছিল, চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। রঞ্জিত পাশে এসে বসলো।
‘ অত ভেবোনা। আমাদের ছেলেই হবে।’

আজ পাপড়ির আল্ট্রাসাউন্ড টেস্ট। সারারাত দুচোখের পাতা এক হয়নি, নানারকম চিন্তা ভাবনায় ব্যালকনিতে বসে কেটে গেছে। কিন্তু কিছুতেই দুশ্চিন্তাটা কাটাতে পারছে না। নার্সিং হোমের করিডোরে রঞ্জিত ওর পাশে বসে আছে। রঞ্জিতের ও চোখে মুখে একটা অজানা আতঙ্ক যেন। পাপড়ির ডাক এলো, নার্স ওকে অ্যাপ্রন পরিয়ে বেডে শুইয়ে দিল। লেডি ডক্টর এলেন।ওনার হাসিমুখ টা দেখে মনের মধ্যে একটা অন্যরকম শান্তি পেল পাপড়ি। উনি ওনার কাজ শুরু করলেন। পাপড়িকে চোখ বুজে থাকতে দেখে বললেন,
‘ কি হল মিসেস ব্যানার্জি? এসব সময় এত টেন্সড থাকলে চলবে? এদিকে তাকান।’
মনিটরের দিকে তাকালো পাপড়ি। সাদা কালো ছবি, তাতে একটা প্রাণ নড়াচড়া করছে। পাপড়ি বুঝল ওটা ওর নিজের একটা অংশ, একটু একটু করে যে বেড়ে উঠছে ওর শরীরে। আনন্দে কেঁদে উঠলো পাপড়ি, ডাক্তারের হাত ধরে বলল,
‘ ও যেই হোক,যেমনই হোক, ও আমার। ওকে বাঁচতে দিন।’

এরপর চারদিন কেটে গেছে, রঞ্জিত আর ওর বাড়ির লোকের ব্যবহারে একটা পরিবর্তন চোখে পড়ছে পাপড়ির। শ্বশুর মশাই চুপচাপ থাকেন, শাশুড়ি পাপড়ি কে এড়িয়ে যায়, আর রঞ্জিতের চোখ মুখ বলে দেয় যে ও প্রচন্ড ভেঙ্গে পড়েছে। থাকতে না পেরে পাপড়ি জিগ্যেস করে ফেলল,
‘কি হয়েছে তোমাদের? এরকম অদ্ভুত ব্যবহার কেন করছো তোমরা আমার সাথে? প্লিজ বলো কি হয়েছে?’
ফাইনালি রঞ্জিত মুখ খুলল, প্রচন্ড ঝাঁঝিয়ে বলল,
‘ জানতে চাও কি হয়েছে? যেটার ভয় পেয়েছিলাম সেটাই হয়েছে। তোমার পেটে ওটা মেয়ে।’
‘ রঞ্জিত! আমাদের মেয়ে।’
‘ না, আমার তোমার কারোর না। দেখো পাপড়ি, আমি আগেই বলেছিলাম, আমাদের ফ্যামিলিতে মেয়ে খুব অশুভ। আমরা কেউ চাই না এই বাচ্চাটা আসুক। ইউ হ্যাভ টু অ্যাবর্ট ইট। ডক্টরের সাথে কথা হয়ে গেছে। নেক্সট উইকে আমরা দিল্লি যাচ্ছি, ওখানে সব ব্যবস্থা হয়ে যাবে আর……’
পাপড়ির পাশে বসে ওকে কাছে টেনে নিয়ে বলল,
‘ তারপর উই উইল ফ্লাই টু সুইজারল্যান্ড বেবি। এভরিথিং উইল বি ফাইন।’
পাপড়ি একটাও কথা বলল না, শুধু নিজের সন্তান কে দুহাতে আঁকড়ে বসে থাকল।

দুদিন পরের এক সন্ধ্যাবেলা। পাপড়ির শ্বশুর শাশুড়ি এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফিরলেন, রঞ্জিত তখন দোকানে।
‘ পাপড়ি?’, ডাকলেন শাশুড়ি। কিন্তু কোন সাড়া পেলেন না। কিছুক্ষণ পর আবার ডাকলেন,
‘ পাপড়ি একটু বাইরের ঘরে এসো। জ্যেঠিমা তোমার জন্য পুজোর প্রসাদ পাঠিয়েছেন। নিয়ে যাও।’
তাও কোন সাড়া নেই। শাশুড়ি এবার পাপড়ির ঘরের দিকে গেলেন। দরজা খোলাই ছিল, ধাক্কা দিতে খুলে গেলো। অন্ধকার, শাশুড়ি আলোটা জ্বেলে দিলেন। কেউ নেই ঘরে, বিছানার উপর একটা খোলা চিঠি পড়ে আছে,
‘ নিজেকে সারাজীবন অপরাধী ভাবার চেয়ে সিঙ্গেল মাদার হয়ে কাটানো আমার কাছে সম্মানের। রঞ্জিতের জন্য অন্য মেয়ে খুঁজে নেবেন। কারণ একটা মেয়েই শুধু একটা ছেলে কে ধারণের ক্ষমতা রাখে।’

দু’বছর কেটে গেছে। পাপড়ি এখন নিজেই একটা এনজিও চালায়। রঞ্জিত এসেছিল ফিরিয়ে নিয়ে যেতে কিন্তু পাপড়ি ফেরেনি। সমস্ত আইন মেনে ওদের ডিভোর্স হয়ে গেছে। পাপড়ি ওর মা বাবার কাছে ফিরে এসেছিল সেদিন, ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিল। পাপড়ি ওর মেয়ের নাম রেখেছে আরাধ্যা, আসলেই ও পাপড়ির আরাধনা ফল, বাড়ির সবার আদরের। পাপড়ি এখনো ওর বাড়ির ব্যালকনিতে দাঁড়ায়, কিন্তু এখন যে বাতাস ওকে ছুঁয়ে দেয় তার মধ্যে পাপড়ি মুক্তির স্বাদ খুঁজে পায়। ওর শরীরটা যেন জুড়িয়ে যায়।


FavoriteLoading Add to library

    Up next

    ভালোবাসার চিঠি -স্নিগ্ধা রায়... প্রথম ভালোবাসার প্রথম দিনের গল্পটা তিতিরের আর পাঁচটা মেয়ের মতোই ছিল। দুদিকে দুটো বেনী ঝুলিয়ে, অনভ‍্যস্ত লাল পেড়ে সাদা শাড়ি সামলাতে সামলাতে স্কুলে যাওয়...
    সেই পাগলটা – বর্ষা বেরা... সেই পাগলটা তাকে প্রথম দেখেছিলাম গড়িয়ার মোড়ে | অদ্ভুত পোশাক তার,অদ্ভুত সব কার্যকলাপ কখনও নিজের চুল ছিঁড়ছে,কখনও বা ছুটছে লোকের পিছনে, তবু নেই তার আত...
    বিলম্বিত মানিক প্রাপ্তি – অস্থির কবি... নবরত্ন পত্রিকার জন্মলগ্ন থেকেই চলচ্চিত্র সংক্রান্ত লেখা এই পত্রিকাটিতে আমি লিখে আসছি। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের আগ্রহ এবং তাদের শ্রদ্ধা সম্মানে ভীষণই অভিভূত...
    অবশেষে খুঁজে পেলাম তোমাকে... -অর্পিতা সরকার    আর যাই করিস ওই মেয়ের দিকে ভুলেও তাকাস না সৌম্য, একবার যদি তোর লাইফে ঢোকে তাহলে তোর কেরিয়ার ফিউজ হয়ে যাবে গুরু। শত হস্ত দূরে থাক ওই...
    স্বাস্থ্যগঠনে যোগব্যায়ামের ভূমিকা – কৌশিক প্... 'যোগ' শব্দটির অর্থ হলো মিলন বা সংযোগ,অনেকক্ষেত্রে 'যোগ' শব্দটি আবার নিয়ন্ত্রণ অর্থেও ব্যবহৃত হয় আর 'ব্যায়াম' শব্দটির অর্থ হলো স্বাস্থ্যরক্ষা বা বলবৃ...
    Sweta Mallick

    Author: Sweta Mallick

    2
    Comments

    Please Login to comment
    2 Comment authors
    Sweta MallickAnkur Krishna Chowdhury Recent comment authors
    newest oldest most voted
    Ankur Krishna Chowdhury
    Member

    খুব ভালো লাগলো