মুখরোচক দইয়ের চপ বানিয়ে ফেলুন সহজেই – মালা নাথ

থায় আছে ‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে,’ | তবে আমাদের অর্থাৎ গৃহিণীদের কাছে এই প্রবাদবাক্যটি হয়তো তেমনভাবে খাটে না মূলত আমাদের সন্তান এবং পতিদেবতার সৌজন্যে | কী এখনও বুঝতে পারলেন না তাই তো ? তবে একটু খোলসা করেই নাহয় বলা যাক,রাতের সমস্ত কাজকর্ম সেরে ঘুমানোর পর আবার সকাল হতে না হতেই স্বামীর অফিস যাত্রা এবং ছেলেমেয়েদের স্কুলে যাওয়ার আগে তাদের প্রাতঃরাশ পরিবেশন করা আবার তাদের বেরিয়ে যাওয়ার পর সংসারের যাবতীয় কাজকর্ম তো লেগেই থাকে | আবার ওরা যখন নির্দিষ্ট সময়ে বাড়িতে ফিরে আসে ছেলেমেয়েদের দুষ্টুমি ভরা চোখে মা মা ডাক আর হাজবেন্ডের অতিপরিচিত রোমান্টিক বাক্যগুলো “ওগো,কীগো” বারংবার আওড়ে যখন খিদে পেয়েছে এই কথাটি বলে তখন আপনি ক্ষুধা নিবারণের জন্যে যতই ভিটামিনযুক্ত খাবার ওদের সামনে উপস্থাপনা উপস্থাপনা করুন না কেন বাবুরা কিন্তু নেবে না,ওদের যে মুখরোচক কিছু চাই | আর সমস্যাটায় তখনই পরতে হয়,তবে আমরা যে গৃহিণী আর তার চাইতেও বড়ো কথা আমরা নারী,তাই একজন নারীর কাছে এসব কোন সমস্যা নাকী,তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক কী করে এই সমস্যার  মোকাবিলা করা সম্ভব হবে অর্থাৎ মুখরোচক দইয়ের চপ বানানোর একটি অতি সহজ উপায় আজ আলচনা করলাম |

উপকরণ :-  ১)  টকদই(১০০ গ্রাম)

                  ২)   ছাতু (৫০ গ্রাম)

                  ৩)   ধনেপাতা(১ আঁটি)

                  ৪)   ব্যাসন(৫০ গ্রাম)

                  ৫)   কাঁচালঙ্কা কুচানো(পরিমাণমতো)

                  ৬)   নুন(পরিমাণমতো)

                  ৭)   রসুন কুচানো(পরিমাণমতো)

                  ৮)   জিরের গুঁড়ো(১ চামচ)

                  ৯)  লঙ্কার গুঁড়ো(হাফ চামচ)

                  ১০) তেল(২০০ গ্রাম)

পদ্ধতি :- প্রথমের দইয়ের জল ঝরিয়ে তার উপর একে একে ছাতু,ধনেপাতা,কাঁচালঙ্কা কুচানো,পিঁয়াজ,রসুন,জিরেগুঁড়ো সামান্য লঙ্কা,হলুদ পরিমাণমতো নুন দিয়ে ভালো করে মাখতে হবে | তারপর গোল গোল করে পুর বানিয়ে নিতে হবে | এরপর ব্যাসনের সামান্য নুন,হলুদ দিয়ে গুলতে হবে | গোলা হয়ে গেলে বানানো পুর গুলো ব্যাসনে চুবিয়ে অল্প আঁচে ভাজতে হবে এরপর ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন দইয়ের চপ | জমিয়ে খান চায়ের সঙ্গে |

____


FavoriteLoading Add to library
Up next
খতরনাক খেল – সৌম্যদীপ সৎপতি... খেলার কথা শুনবি যদি, বলছি যা দে মন তাতে, দেখেছিলুম খেল একখান হ্যালোইনের সন্ধ্যাতে। সেদিন রাতে ভূতুম পাড়ার "মামদো ইলেভেন্স" দলে "স্কন্ধকাটা ক্লাব"কে...
এক মৃত গাছ – বৈশাখী চক্কোত্তি... না, আমি যাব না। দেব না সাড়া ---- আজ তোমার আহ্বানে আর। নদীতেও নয়, ভরা জলের সরোবরেও নয়, আজ থেকে এক নতুন অঙ্গীকার । তোমার কাছে যা বাঁচার লড়াই, প্রে...
হ্মুধাগ্নি – প্রীতম সাহা... সেবারের মনমাতানো শারদোৎসবে, নয় বছরের ছেলেটা বোঝেনি কিছু-- বোঝাইনি কেউ তাকে, হাঁ করে সে গিলেছে শুধু মণ্ডপাবৃত,বারাঙ্গনার জীবন চিত্রায়ন। তখন,সত্য আ...
পণ্যগ্রাফি -কৌশিক প্রামাণিক বোনটি তো আমার সেদিনই কেঁদেছিল যেদিন ও প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেছিল, লোভী চোখের দৃষ্টিগুলোতে চিন্হিত হলো সে মেয়ে তখন জন্মেই তাকে শুনত...
ভালোবাসি অন্ধকারকে – রুমা কোলে... তোমার চাহিদা দিনের , আমার রাতটুকুই প্রিয় । তুমি ভালোবাসো আলো , আর আমি ! রাতের কালো । হ্যাঁ ,  কালো , অন্ধকার , কালো ঘুটঘুটে অন্ধকার , যেখানে নিজ...
বেকার – সরোজ কুমার চক্রবর্তী... আমরা কজন পড়াশোনা শিখলাম পায়ে পায়ে একসাথে কত পথ চললাম, দেখতে দেখতে কবে বড় যে হলাম স্কুল,কলেজ পরে মাস্টার ডিগ্রী একসাথে শেষ করলাম l একদিন হটাৎ সবাই...
লাল নীল স্বপ্ন- মুক্তধারা মুখার্জী...   দূর। দূর। কি হবে রোজ ছাই পাশ সরকারি চাকরীর পরীক্ষা দিয়ে? খালি গাদা গুচ্ছের টাকা জলাঞ্জলি। চাকরীর পরীক্ষার ফর্ম তুলতেই পকেট ফাঁকা। সাধারণ গ্র‍্...
মৃত্যুহীন ভালোবাসা... - ডঃ মৌসুমি খাঁ ভালোবাসার মৃত্যু নেই সে চিরন্তন বয়ে চলেছে হৃদয় জুড়ে - মনের এক ফল্গু নদীর চোরাস্রোতের মতো, কখনও উদ্দাম উচ্ছল জলধারা ভাসিয়ে নিয়ে য...
সেই পাগলটা – বর্ষা বেরা... সেই পাগলটা তাকে প্রথম দেখেছিলাম গড়িয়ার মোড়ে | অদ্ভুত পোশাক তার,অদ্ভুত সব কার্যকলাপ কখনও নিজের চুল ছিঁড়ছে,কখনও বা ছুটছে লোকের পিছনে, তবু নেই তার আত...
মজুমদারবাবু - প্রিয়া সরকার    সে অনেককাল আগের কথা,তা বিশ পঁচিশ বছর আগের তো বটেই।আমি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি,হাফ ইয়ার্লি আর অ্যানুয়্যাল সাকুল্যে দুটি পরীক্ষা...
ADMIN

Author: ADMIN

Comments

Please Login to comment